শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক, অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৬২৫-৬২৭৬৪৩

এক নজরে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:

সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন মুকুট: আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমনকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগের সমর্থন বঞ্চিত জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী নূরুল হুদা মুকুট (মোটর সাইকেল) প্রতীক নিয়ে। ১ হাজার ২১৪ ভোটের মধ্যে তিনি ৭৮২ ভোট পেয়েছেন। ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমন (চশমা) প্রতীকে পেয়েছেন ৪২০ ভোট। এদিকে ১৫টি ওয়ার্ডের কেন্দ্র ঘোষিত ফলাফল পাওয়ার পরই নূরুল হুদা মুকুটের সমর্থকরা আনন্দ মিছিল করেছেন। তারা মিষ্টি বিতরণ করে শহরে আনন্দ করেন। উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জের আওয়ামীলীগের স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ দলীয় সমর্থিত প্রার্থীকে জেতাতে সবধরণের চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। নূরুল হুদা মুকুট সাংবাদিক সম্মেলন করে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনেন। তাছাড়া দিরাই-শাল্লার সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বিরুদ্ধেও গত রবিবার তিনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। গত ৫ নভেম্বর সুনামগঞ্জ জেলার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে নূরুল হুদা মুকুটকে সমর্থন দিয়ে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করেন। পরবর্তীতে নূরুল হুদা মুকুট দলীয় সমর্থন পেতে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বোর্ড বরাবরে বায়োডাটা পাঠান। কিন্তু তাকে সমর্থন না দিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। বিজয়ের প্রতিক্রিয়ায় নূরুল হুদা মুকুট বলেন, এই জয় জনতার ও জনপ্রতিনিধিদের। কারণ, তারা স্থানীয় সংসদ সদস্যদের হুমকি-ধমকি ও চোখরাঙানিকে ভয় না পেয়ে, প্রলোভনের কাছে মাথা নত না করে সঠিক রায় দিয়েছেন। জেলা পরিষদকে জনতা ও জনবাবন্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করেই সমূহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
৫ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিজয়ী হলেন যারা: সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০ নারীনেত্রী। বিজয়ী হয়েছেন ৫ জন। তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর, শ্রীপুর দক্ষিণ, বড়দল উত্তর, বড়দল দক্ষিণ, বাদাঘাট তাহিরপুর, তাহিরপুর সদর, বালিজুরী, ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার মধ্যনগর সদর, চামরদানী, বংশীকুণ্ডা উত্তর, বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ, ধর্মপাশা সদর, জয়শ্রী, সেলবরষ, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১। এই ওয়ার্ডে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের মেয়ে জেলা যুব মহিলালীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সেলিনা আবেদীন (ফুটবল) প্রতীকে ১৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ইয়াসমিন আক্তার (দোয়াত-কলম) প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ ভোট। সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২ এর জামালগঞ্জ উপজেলার সদর, ফেনারবাঁক, বেহেলী, ভীমখালী ও সাচনাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং, মোহনপুর, কাঠইর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ, পলাশ, ধনপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ ও ফতেপুর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার কুরবাননগর, জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা, রঙ্গারচর, মোল্লাপাড়া ও লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের নিয়ে গঠিত আসনে ১০ জন নারী ভোট যুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই ওয়ার্ডে জেলা মহিলা সংস্থার সভাপতি ফৌজিয়ারা বেগম (লাটিম) প্রতীকে ৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সাদিয়া বখত (টেবিল ঘড়ি) ৮৪ ভোট, ফেরদৌসি সিদ্দিকা (কম্পিউটার) ১৪ ভোট, তাহমিনা বেগম (ফুটবল) ২৬ ভোট, মদিনা আক্তার (দোয়াত-কলম) ১০ ভোট, রাজিয়া খাতুন (ডিসএন্টেনা) ৬ ভোট, রাবেয়া সিদ্দিকা (টেলিফোন) ১১ ভোট, সানজিদা নাসরিন দিনা ডায়না (হরিণ) ২ ভোট, সামিনা চৌধুরী (মাইক) ১৯ ভোট ও সৈয়দা আমেনা আখঞ্জি (বই) প্রতীকে ৫ ভোট পেয়েছেন। সংরক্ষিত ৩নং (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাগলা, পশ্চিমপাগলা, জয়কলস, শিমুলবাঁক ও পাথারিয়া, দিরাই উপজেলার পৌরসভা, সরমঙ্গল, চরনারচর, রাজানগর, রফিনগর, জগদল, করিমপুর, তাড়ল, কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া, শাল্লা উপজেলার শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ৩নং ওয়ার্ডে ফারহানা ইয়াসমিন সীমা (মাইক) প্রতীকে ১১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দিরাইয়ের কুলঞ্জ ইউপির সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যা রাজরাণী চক্রবর্তী (হরিণ) ৮৯ ভোট, বিনা জয়নাল (ফুটবল) ২২ ভোট ও ফিরুজা বেগম (টেবিল ঘড়ি) প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ ভোট। সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ড (জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা, কলকলিয়া, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশা, পূর্ববীরগাঁও, পশ্চিমবীরগাঁও, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রাণীগঞ্জ, আশারকান্দি, পাটলী, মীরপুর, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ও চিলাউড়া হলদিপুর, ছাতক উপজেলার চরমহল্লা, জাউয়াবাজার, দোয়ারবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও, পান্ডারগাঁও ও দোহালীয়া ইউনিয়ন) নিয়ে গঠিত ওয়ার্ডে সামিনা সুলতানা (বই) প্রতীকে ১৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রওশনারা বেগম (ফুটবল) প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ ভোট। সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ড (দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর, বাংলাবাজার, নরসিংপুর, লক্ষীপুর, বোগলাবাজার ও সুরমা, ছাতক উপজেলার পৌরসভা, সদর, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কালারুকা, খুরমা উত্তর, খুরমা দক্ষিণ, সিংচাপইড়, দোলারবাজার, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ ও ভাতগাঁও ইউনিয়ন গঠিত ওয়ার্ডে ছাতক-দোয়ারার সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের একমাত্র বোন ও ছাতক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুলের সহধর্মিনী শিক্ষিকা নুরুন্নাহার চৌধুরী চিনু (হরিণ) প্রতীকে ১৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ইসলামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান আলেকের স্ত্রী সেলিনা আক্তার (ফুটবল) প্রতীকে পেয়েছেন ৯৪ ভোট।
জামানত খোয়ালেন দুই লন্ডনী চেয়ারম্যান প্রার্থী: নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ি যে কোন নির্বাচনে কাস্টিং ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না পেলে তাঁর জামানত বাতিল হয়ে যায়। সর্বশেষ বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে কাস্টিং ভোটের অনেক কম পেয়ে জামানত খোয়ালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী লন্ডন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা আহবাব হোসেন চৌধুরী এবং চঞ্চলা দাস। জেলার ১ হাজার ২১৫ ভোটের মধ্যে ১ হাজার ২০৮ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী লন্ডন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা আহবাব হোসেন চৌধুরী (ঘোড়া) প্রতীকে পেয়েছেন ৪ ভোট এবং চঞ্চলা দাস (আনারস) প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ২ ভোট। নির্বাচন কমিশনে জামানত রাখা ২০ হাজার টাকা ফেরত পাবেন না তাঁরা। সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা সহকারি রিটার্নিং অফিসার সাদেকুল ইসলাম জানান, দুই চেয়ারম্যান কাস্টিং ভোটের অনেক কম পাওয়ায় তাদের জামানত বাতিল বলে গণ্য হবে।
জামানত হারিয়েছেন ৩২ সদস্য প্রার্থী: সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ১৫টি ওয়ার্ডে ভোট যুদ্ধের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লড়েছিলেন ৮৩ প্রার্থী। জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আগ্রহের কোন কমতি ছিলনা। এরমধ্যে একটি ভোটও না পেয়ে লজ্জাজনকভাবে পরাজিত হয়েছেন ১৩ প্রার্থী। এই ১৩ জনসহ কাস্টিং ভোটের আট ভাগের একভাগ না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন ৩২ জন সদস্য প্রার্থী। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সাধারণ সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ড (তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর, বড়দল উত্তর, বড়দল দক্ষিণ, বাদাঘাট, তাহিরপুর সদর ও বালিজুরী ইউনিয়ন) মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ৮১টি। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হোসেন (তালা) প্রতীকে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী জুনাব আলী (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৩৭ ভোট, হিসাব অনুযায়ী কম ভোটে পেয়ে জামানত হারিয়েছেন আতিকুর রহমান (বৈদ্যুতিক পাখা) ৫ ভোট, জিল্লুর রহমান (ঢোল) ও অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজ আলী পীর (হাতি) প্রতীকে কোন ভোটই পাননি।
২নং ওয়ার্ডে (শ্রীপুর দক্ষিণ, মধ্যনগর সদর, চামরদানী, বংশীকুণ্ডা উত্তর, বংশীকুণ্ডা দক্ষিণ, চামরদানী ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৭৭টি। ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোজ্জামেল হোসেন রুকন (তালা) প্রতীকে। ৯ ভোটের চেয়েও কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন আব্দুস সালাম (পাখা) ২ ভোট ও হারুন রশিদ (টিউওয়েল) প্রতীকে ২ ভোট।
৩নং ওয়ার্ডে (ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা সদর, জয়শ্রী, সেলবরষ, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন) কাস্ট হয়েছে ৬৭ ভোট। সৈয়দ আমিনুল হক হেলাল (হাতি) প্রতীকে একটি ভোটও না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
৪নং ওয়ার্ড (জামালগঞ্জ উপজেলার সদর, ফেনারবাঁক, বেহেলী, ভীমখালী ও সাচনাবাজার ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৬৮টি। হিসাব অনুযায়ি ৮ ভোটের চেয়েও কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন সৈয়দ খালেদ আহমদ (টিউওয়েল) ১ ভোট, আসহাদুর রহমান (ঢোল) ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিসবাহ উদ্দিন (ঘুড়ি) প্রতীকে কোন ভোট না পেয়ে।
৫নং ওয়ার্ডে (সদর উপজেলার গৌরারং, মোহনপুর, কাঠইর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ, পলাশ, ধনপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ ও ফতেপুর ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ১০৭টি। ১৩ ভোটের চেয়ে কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন এএইচএম হাসান বশির (বৈদ্যুতিক পাখা) ২ ভোট, মমিনুল ইসলাম (ঢোল) ১ ভোট, সাজ্জাদুর রহমান (হাতী) ২ ভোট, সৈয়দ আহমদ (টিউবওয়েল) ১ ভোট, মাহতাব উদ্দিন তালুকদার (অটোরিক্সা) আবু সাইদ (বক) ও অ্যাডভোকেট আলম নূর হীরা (উটপাখি) প্রতীকে কোন ভোটই পাননি।
৬নং ওয়ার্ডে (সুনামগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার কুরবাননগর, জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা, রঙ্গারচর, মোল্লাপাড়া ও লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৯৩টি। ১১ ভোটের কম পেয়ে জামানত হারান জুবের আহমদ অপু (টিউবওয়েল) ৪ ভোট, মাজহারুল ইসলাম উকিল (হাতী) ১০ ভোট, ইয়াকুব বখত বহলুল (বেহালা) ২ ভোট, জসিম উদ্দিন (ক্রিকেট ব্যাট) ১ ভোট, আলহেলাল (বক) ও জিয়াউর রহমান (অটোরিকসা) প্রতীকে কোন ভোট পাননি।
৮নং ওয়ার্ডে (দিরাই উপজেলার পৌরসভা, সরমঙ্গল, চরনারচর, রাজানগর, রফিনগর, জগদল ও করিমপুর ইউনিয়ন) কাস্টিং ভোট ৯৩টি। ১১ ভোটের কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন সৈয়দ বদরুল আলম (হাতী) প্রতীকে ৪ ভোট।
৯নং ওয়ার্ডে (দিরাই উপজেলার তাড়ল, কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া, শাল্লা উপজেলার শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ১০০টি। ১২ ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন সাংবাদিক পিসি দাস (অটোরিকসা) ৪ ভোট, বাদল চন্দ্র দাস (টিউবওয়েল) ৪ ভোট, বেলাল আহমেদ (ঢোল) ৮ ভোট।
১০নং ওয়ার্ড (জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা, কলকলিয়া, দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশা, পূর্ববীরগাঁও, পশ্চিমবীরগাঁও) কাস্টিং ভোট ৬৬টি। এই ওয়ার্ডে ভোট কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন আব্দুল মতলিব চৌধুরী (ঢোল) ৫ ভোট, আব্দুল জব্বার (ঘড়ি) ১ ভোট, ইমদাদুর রহমান তালুকদার (ক্রিকেট ব্যাট) ও ছালেক উদ্দিন (বক) প্রতীকে কোন ভোট পাননি।
১১নং ওয়ার্ড (জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রাণীগঞ্জ, আশারকান্দি, পাটলী, মীরপুর, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ও চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৮৮টি। জামানত হারিয়েছেন শাহজাহান সিরাজী, তিনি (ঘুড়ি) প্রতীকে ৬ ভোট পেয়েছেন।
১৩নং ওয়ার্ডে (দোয়ারাবাজার উপজেলার সদর, বাংলাবাজার, নরসিংপুর, লক্ষীপুর, বোগলাবাজার ও সুরমা ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৮০টি। এই ওয়ার্ডে জামানত হারিয়েছেন আকরামুল হাসান মাসুম, তিনি (অটোরিকসা) প্রতীকে ৭ ভোট পেয়েছেন।
১৪নং ওয়ার্ডে (ছাতক উপজেলার পৌরসভা, সদর, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কালারুকা, খুরমা উত্তর, ইউনিয়ন) ভোট কাস্ট হয়েছে ৮০টি। জামানত হারিয়েছেন আফসার উদ্দিন, তিনি (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতীকে ৫ ভোট পেয়েছেন।
জামানত হারিয়েছেন ১০ নারী প্রার্থী: ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সদস্য প্রার্থী হিসেবে ২০ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে বিজয়ী হয়েছেন ৫ নারীনেত্রী। কাস্টিং ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ১০ জন নারীনেত্রী। সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে ৮ জন ও সংরক্ষিত ৩-এ জামানত হারিয়েছেন দুই জন নারীনেত্রী।
সংরক্ষিত ওয়ার্ড নং-২ (জামালগঞ্জ উপজেলার সদর, ফেনারবাঁক, বেহেলী, ভীমখালী ও সাচনাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং, মোহনপুর, কাঠইর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ, পলাশ, ধনপুর, বাদাঘাট দক্ষিণ ও ফতেপুর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার কুরবাননগর, জাহাঙ্গীরনগর, সুরমা, রঙ্গারচর, মোল্লাপাড়া ও লক্ষণশ্রী) ইউনিয়নের নিয়ে গঠিত আসনে ১০ জন নারী ভোট যুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। এই ওয়ার্ডে ভোট কাস্ট হয়েছেন ২৬৭টি। ৩৩ ভোটের চেয়ে কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন ফেরদৌসি সিদ্দিকা (কম্পিউটার) ১৪ ভোট, তাহমিনা বেগম (ফুটবল) ২৬ ভোট, মদিনা আক্তার (দোয়াত-কলম) ১০ ভোট, রাজিয়া খাতুন (ডিসএন্টেনা) ৬ ভোট, রাবেয়া সিদ্দিকা (টেলিফোন) ১১ ভোট, সানজিদা নাসরিন ডায়না (হরিণ) ২ ভোট, সামিনা চৌধুরী (মাইক) ১৯ ভোট ও সৈয়দা আমেনা আখঞ্জি (বই) ৫ ভোট। সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ড (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাগলা, পশ্চিমপাগলা, জয়কলস, শিমুলবাঁক ও পাথারিয়া, দিরাই উপজেলার পৌরসভা, সরমঙ্গল, চরনারচর, রাজানগর, রফিনগর, জগদল, করিমপুর, তাড়ল, কুলঞ্জ, ভাটিপাড়া, শাল্লা উপজেলার শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও) ইউনিয়ন মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ২৫২টি। ৩১ ভোটের চেয়ে কম পেয়ে জামানত হারিয়েছেন বিনা জয়নাল (ফুটবল) ২২ ভোট ও ফিরোজা বেগম (টেবিল ঘড়ি) ৩০ ভোট।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: