রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা আবুল হাসনাত রিপনের সংঘাতের উত্তাপের মাঝেই নতুন আলোচনার পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান: নেপথ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা দিরাইয়ে তেলের জন্য শতাধিক মোটর সাইকেলের ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা দিরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনায় ২ জন নিহত, আহত ৪০ মামলাবাজের দৌরাত্ম্যে দিরাইয়ে পুরুষ শূন্য গ্রাম দিরাইয়ে অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত নারী দিরাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ জনের মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আশা: যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েলও দিরাইয়ে অনলাইন জুয়াড়ির ২ সদস্য আটক সাগর পথে ইউরোপ যাত্রায় স্বপ্নভঙ্গ: সুনামগঞ্জে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫: ৯ দালালের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা
মুসলিম নির্দশন ধ্বংসকারীর বিচার হবে আন্তর্জাতিক আদালতে

মুসলিম নির্দশন ধ্বংসকারীর বিচার হবে আন্তর্জাতিক আদালতে

150719182218_timbuktu_640x360_afp_97900আমার সুরমা ডটকম ডেক্স : মালির টিমবাকটুর অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। ইসলামী জঙ্গী আহমদ আল মাহদি আল ফাকি জঙ্গী গোষ্ঠী আনসার দীনের সদস্য। ২০১২ সালে এই গোষ্ঠী যখন টিমাবাকটু দখল করে নেয় তখন তারা সেখানকার অনেক ঐতিহাসিক ভবন ধ্বংস করে। সাংস্কৃতিক নিদর্শন ধ্বংসের ঘটনাকে এই প্রথম ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিচার হচ্ছে। আহমদ আল মাহদি আল ফাকি হবেন প্রথম ব্যক্তি যাকে এরকম অপরাধে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কৌশুলি ফাটু বেনসাউডা বলেন, মালির ঐতিহাসিক নিদর্শনের ওপর এই হামলা ছিল সেখানকার জনগণের মর্যাদা ও পরিচয়ের ওপর এক ঘৃণ্য আক্রমণ। ইসলামী জঙ্গীরা টিমবাকটুর অনেক ঐতিহাসিক মসজিদ এবং সমাধি সৌধ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় এবং অনেক ঐতিহাসিক পান্ডুলিপি আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করে।
চতুর্দশ শতক থেকে আঠারো শতক পর্যন্ত টিমবাকটু ছিল ইসলামী শিক্ষার এক বড় কেন্দ্র। একসময় এখানে দুশোর বেশি স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছিল এবং মুসলিম বিশ্ব থেকে অনেকেই এখানে পড়াশোনা করতে আসতেন। টিমবাকটুর প্রতিষ্ঠাতা অনেক মুসলিম সাধকের সমাধি সৌধ ইসলামী জঙ্গীরা গুড়িয়ে দেয়। এই সাধকদের খুবই শ্রদ্ধার চোখে দেখে স্থানীয়রা। কিন্তু ইসলামী জঙ্গীরা এসব সমাধি সৌধকে ‘পৌত্তলিকতা’ বলে গণ্য করে। সূত্র: বিবিসি

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com