মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে অনলাইন জুয়াড়ির ২ সদস্য আটক সাগর পথে ইউরোপ যাত্রায় স্বপ্নভঙ্গ: সুনামগঞ্জে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫: ৯ দালালের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা ইউরোপ যাওয়া হলো না সুনামগঞ্জের ১২ জনের, পরিবারে শোকের মাতম সুনামগঞ্জে পৃথক সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ভাঙচুর, লুটপাট, আটক ৭ সুনামগঞ্জে মর্মান্তিক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ৩ সম্পাদকীয়: ঈদুল ফিতরে ভ্রাতৃত্বের দরজা খুলে যাক দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে পালাচ্ছে মার্কিন রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড শীর্ষ নেতা লারিজানি হত্যার শোধ হবে ‘ভয়াবহ’, হুঁশিয়ারি ইরানের আযাদ দ্বীনী এদাার বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: পাসের হার ৮৭.৯৫
জীবন দিয়েও বাঁচিয়ে ছিল ৪টি প্রাণ সেই বাংলাদেশি আয়া

জীবন দিয়েও বাঁচিয়ে ছিল ৪টি প্রাণ সেই বাংলাদেশি আয়া

bangladeshi maidpic_127785আমার সুরমা ডটকম ডেক্সবাংলাদেশি আয়া সুফিয়া আকতার। যার কথা আজও  ভুলতে পারেনি  আমিরাতের একটি পরিবার। ওই পরিবারের চার সন্তানকে সমুদ্রে ডুবে মরার হাত থেকে বাঁচাতে দু’বছর আগে নিজের জীবন দিয়েছিলেন ওই আয়া। রোববার অনলাইন গালফ নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর। আবুধাবির দাবায়া সমুদ্র সৈকতে সপ্তাহের  ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন আবু আবদুল্লাহ। সেখানে অকস্মাৎ গভীর পানিতে পড়ে যায় তার চার সন্তান। সুফিয়া আকতার নামে ওই বাংলাদেশি আয়া তার সন্তানদের দেখাশোনা করতেন। তিনি দেখতে পান বাচ্চারা পানিতে পড়ে গেছে। ডুবে যাচ্ছে তারা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাদেরকে উদ্ধারের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন পানিতে। আবু আবদুল্লাহর সন্তানদের জীবন রক্ষা করতে পেরেছেন সুফিয়া। কিন্তু সমুদ্রের ঢেউ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন নি তিনি। গভীর সমুদ্রে ভেসে যান সুফিয়া। তাকে উদ্ধারে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন তাকে উদ্ধার করতে। তিনিও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে সমুদ্রের ঢেউ তাকে তীরে ভাসিয়ে আনে। সবাই মিলে চেষ্টা করেন সুফিয়ার চেতনা ফেরাতে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মাফরাক হাসপাতালে। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। মারা যান সুফিয়া। তার অবদানের কথা এখনও স্মরণ করেন আবদুল্লাহর পরিবার। সুফিয়ার আত্মদানের জন্য বাংলাদেশে তার আত্মীয়-স্বজনদের এখন সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে আবদুল্লাহর পরিবার। আবদুল্লাহর মা বলেন, সুফিয়া ছিলেন অতিশয় নম্র। তাদের পরিবারের সঙ্গে তিনি ছিলেন ঘনিষ্ঠ। দেশে অবস্থানরত তার চার সন্তানের উন্নত জীবনের জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করতেন। আবু আবদুল্লাহ বলেন, আমি সব সময়ই সুফিয়া ও তার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি আমাদের সঙ্গে চারটি বছর ছিলেন। এ সময়ে আমাদের আস্থা অর্জন করেছিলেন। তার সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য আমার সন্তানরা রক্ষা পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com