সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে অনলাইন জুয়াড়ির ২ সদস্য আটক সাগর পথে ইউরোপ যাত্রায় স্বপ্নভঙ্গ: সুনামগঞ্জে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫: ৯ দালালের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা ইউরোপ যাওয়া হলো না সুনামগঞ্জের ১২ জনের, পরিবারে শোকের মাতম সুনামগঞ্জে পৃথক সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ভাঙচুর, লুটপাট, আটক ৭ সুনামগঞ্জে মর্মান্তিক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ৩ সম্পাদকীয়: ঈদুল ফিতরে ভ্রাতৃত্বের দরজা খুলে যাক দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে পালাচ্ছে মার্কিন রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড শীর্ষ নেতা লারিজানি হত্যার শোধ হবে ‘ভয়াবহ’, হুঁশিয়ারি ইরানের আযাদ দ্বীনী এদাার বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: পাসের হার ৮৭.৯৫
রোজাদারের জন্য ৬টি কাজ করা নিষিদ্ধ

রোজাদারের জন্য ৬টি কাজ করা নিষিদ্ধ

মিজান আহমদ, (জগন্নাথপুর)কোন ব্যক্তি যদি রোজা রেখে নিচের ৬টি কাজ করে, তাহলে তার রোজা নিশ্চিত ভাবে উপোশের মতো হয়ে যাবে। অর্থ্যাৎ রোজাদার ব্যক্তিকে শুধু না খেয়ে থাকলেই হবে না, বরং সকল অনৈতিক বিষয়ে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। রমাজান মাসে রোজাদার ব্যক্তিকে কোন ছয়টি জিনিস করা একেবারেই নিষিদ্ধ চলুন তা জেনে আসি।

১) দৃষ্টি সংযত রাখতে হবে। তাই বেগানা মেয়েদের দেখা থেকে চোখকে হেফাজত করুন। তা সরাসরি দেখা হোক বা টিভি-সিনেমায় দেখা হোক বা ম্যাগাজিন ও পত্রিকার ছবি হোক। অনেকে রোজা রেখে অবসর সময় নাটক-সিনেমা দেখে কাটায়। এতে তাদের রোজা হালকা হয়ে যায়।
২) জবানের হেফাজত করা। অর্থাৎ মিথ্যা, গীবত, পরনিন্দা, অশ্লীল কথাবার্তা ও ঝগড়া থেকে রিবত থাকা। হাদিস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় মিথ্যাচার ও মন্দ কাজ ত্যাগ করেনি তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। -সহিহ বুখারি: ১/২৫৫, হাদিস- ১৯০৩
অন্য এক হাদিসে নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘রোজা অবস্থায় তোমাদের কেউ যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল, হট্টগোলে লিপ্ত না হয়। যদি কেউ তার সঙ্গে গালিগালাজ বা মারামারি-কাটাকাটিতে লিপ্ত হতে চায় তবে সে (অনুরূপ আচরণ না করে) বলবে, আমি রোজাদার।’ এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, রোজা অবস্থায় মারামারি ও ঝগড়াঝাটি তো দূরের কথা, শোরগোল করাও রোজার আদব পরিপন্থী। অতএব জবানকে এসব থেকে বিরত রেখে সর্বদা জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে তরতাজা রাখবে।

৩) কানের হেফাজত। যেমন-গান শোনা, গীবত, পরনিন্দা ও অশ্লীল কথাবার্তা শোনা থেকে বিরত থাকা।

৪) অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, যেমন হাত-পা ইত্যাদিকেও গোনাহ ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা।

৫) অন্তরকেও সব রকমের গোনাহ থেকে বিরত রাখা। যেমন- গোনাহের কল্পনা করা, পেছনের গোনাহ স্মরণ করে স্বাদ গ্রহণ করা, অহঙ্কার, হিংসা, কু-ধারণা ইত্যাদি থেকে অন্তরকে হেফাজত করা।

৬) সেহরি ও ইফতারে হারাম আহার পরিহার করা। ইমাম গাজ্জালী (রহ.) বলেন, যে ব্যক্তি সারাদিন রোজা রেখে হারাম খাবার দ্বারা ইফতার করে সে যেন একটি অট্টালিকা নির্মাণ করে আর একটি শহর ধ্বংস করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com