বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক, অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৬২৫-৬২৭৬৪৩
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ নিহতের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়ালো, তিন মাসের জরুরি অবস্থা জারি তুরস্কে রাজাকার ও বিএনপির লোকদের নিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শোকর‌্যালি পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের মৃত্যু চট্টগ্রাম কলেজের ১৭৫ শিক্ষার্থী ৩ ঘন্টার অভিযানে ডুবোচর থেকে উদ্ধার ফরিদপুরে একই পরিবারে ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি জানা যাবে মঙ্গলবার বিশ্ব হাত গুটিয়ে বসে থাকলে আরেকটি রোহিঙ্গা গণহত্যা হবে: জাতিসঙ্ঘ ১০ দফা আদায়ে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে: মির্জা ফখরুল বহিষ্কৃত নেতার সমাবেশে জেলা সভাপতি: উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা
আমিরাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অনন্য সমন্বয় বিখ্যাত শেখ জায়েদ মসজিদ

আমিরাতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অনন্য সমন্বয় বিখ্যাত শেখ জায়েদ মসজিদ

1439834183_p-7

ছালাহউদ্দিন, আরব আমিরাত থেকে : আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবীতে অবস্থিত শেখ জায়েদ মসজিদটি বিশ্বের বড় ১০টি মসজিদের মধ্যে অন্যতম। মসজিদটিকে দেশটির সর্বাধুনিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মনে করা হয়। এছাড়া মসজিদটি আরব আমিরাতেরও সবচেয়ে বড় ও অপরূপ সুন্দর মসজিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। বিখ্যাত এই মসজিদটি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে মার্বেল, স্বর্ণ, বিশটি দুর্লভ দামি পাথর ও স্ফটিক।দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটিতে রয়েছে ৪০ হাজার মুসল্লির একসাথে নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা। তুরস্ক, জার্মানি, মরক্কো, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, চায়না, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ইরান, গ্রীস ও আরব আমিরাতসহ বিশ্বের ৩৮টি দেশের নামকরা ঠিকাদারি কোম্পানির তিন হাজার দক্ষ কর্মী বিখ্যাত-এ মসজিদটি নির্মাণে শ্রম দেন। মসজিদটিতে রয়েছে ছোট-বড় মিলে ৮২টি গম্বুজ। ১৯৯৬ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০০৭ সালে শেষ হওয়া এ মসজিদটি সম্পূর্ণ সরকারি উদ্যোগে নির্মিত হয়। এতে খরচ হয় ৫৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মসজিদটিতে একইসাথে আলাদা কক্ষে মহিলাদের নামাজ আদায়েরও সুব্যবস্থা রয়েছে। মসজিদটিতে অপরূপ সাজে বিছানো কার্পেট ৬০ হাজার ৫৭০ বর্গফুট। যার ওজন ৩৫ টন। এ কার্পেট আনা হয়েছে ইরান ও নিউজিল্যান্ড থেকে। মসজিদটিতে জার্মানির তৈরি স্বচ্ছ লাখ লাখ পাথরের নান্দরিক চোখ ধাঁধানো বিশ্বের বৃহত্তম যে ঝাড়বাতিটি লাগানো হয়েছে সেটির ব্যাস ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এবং উচ্চতা ১৫ মিটার (৪৯ ফুট)। মসজিদটির পাশেই রয়েছে আরব আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের কবর। সেখানে সারাক্ষণ কুরআন তেলাওয়াত চলতে থাকে। শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান ২০০৪ সালের ২ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন। দেশটির জনপ্রিয় এই শাসকের নামেই নামকরণ করা হয় শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মস্ক (মসজিদ)। উল্লেখ্য, জনপ্রিয় এই শাসককে হারিয়ে কেঁদেছিলেন প্রবাসীরাও। বিখ্যাত এ মসজিদটি শুক্রবার ও দু’ঈদে মুসল্লিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিনও মসজিদটি এক নজর দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত থাকে। এদিকে, গত ১৬ আগস্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরব আমিরাতে রাষ্ট্রীয় সফরকালে পৃথিবীর অন্যতম অপরূপ সৌন্দর্যের বড় এ মসজিদটি পরিদর্শন করেন এবং মসজিদটি নির্মাণের ভূয়ষী প্রশংসা করে আরব আমিরাত সরকারকে মোবারকবাদ জানান। এর আগে গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আরব আমিরাতে রাষ্ট্রীয় সফরে এলে তখন বিখ্যাত এই মসজিদটি পরিদর্শন করে সরকারকে মোবারকবাদ জানান এবং আছরের নামাজ আদায় করেন। উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ এ দেশটিতে রাষ্ট্রীয় সফরে আসলে বিখ্যাত এ  মসজিদটি প্রথম পরিদর্শন করেন। সূত্র : দৈনিক ইনকিলাব

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: