রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৫২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক, অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৬২৫-৬২৭৬৪৩
সংবাদ শিরোনাম :
চিরসবুজ, চিরকালের ‘হীরা’, বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ

চিরসবুজ, চিরকালের ‘হীরা’, বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ

capture1_95170

আমার সুরমা ডটকম ডেক্স : গত ২৫ আগস্ট ৮৫-তে পা দিলেন শন কনারি৷ এই বয়সেও শার্ট খুললে অনেক তরুণীই তাঁর রোমশ বুকের দিকে তাকিয়ে থাকে৷ হীরা চিরকালই যেমন অমূল্য, আকর্ষণীয়, শন কনারিও তেমনি৷ ‘ডায়মন্ডস আর ফরএভার’ ছবির গোয়েন্দা জেমস বন্ড সেই ছবির হীরার মতোই যেন এখনো রয়ে গেছেন৷
যেভাবে জনপ্রিয় : স্কটল্যান্ডে জন্ম নেয়া শন কনারির ‘হার্টথ্রব’ হওয়া শুরু জেমস বন্ড দিয়ে৷ পর্দার চৌকষ, সুপুরুষ গোয়েন্দা বন্ড বাস্তব জীবনেও ভীষণ ড্যাশিং এবং স্টাইলিশ৷ বলা যায়, সিনে জগতে এ ধরনের নজির দ্বিতীয়টি নেই।
‘প্রথম আলো’ : ‘জেমস বন্ড’ হওয়ার আগ পর্যন্ত হলিউডে খুব কঠিন সময় কাটিয়েছেন শন কনারি৷ বক্স অফিসে কিছুটা সাফল্য এসেছিল ১৯৫৮ সালে, ‘অ্যানাদার টাইম, অ্যানাদার প্লেস’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে৷
সে আলো ছড়িয়ে গেল…..
‘অ্যানাদার টাইম, অ্যানাদার প্লেস’-এর ঠিক চার বছর পরই হলিউডে শুরু হয়ে গেল শন কনারির যুগ৷ জেমস বন্ড-এর ‘ডক্টর নো’-র মাধ্যমে জন্ম হলো নতুন এক মহানায়কের৷ ছবিতে কনারির কিছু দৃশ্য এখনো অনেকের হৃৎস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়৷
অভিনয়মানের টান : খ্যাতি এবং জনপ্রিয়তার শিখরে থাকার সময়েও অভিনয়ে বৈচিত্র এবং মানকে গুরুত্ব দিয়েছেন কনারি৷ ১৯৬২ সালে আলফ্রেড হিচককের সাইকো-থ্রিলার ‘মারনি’-তে তাঁর অভিনয় দক্ষতা চিরস্মরণীয়৷
সুপার-ডুপার হিট কনারি : জেমস বন্ড সিকুয়ালে তাঁর তৃতীয় ছবি ‘গোল্ডফিঙ্গার’৷ কল্পনাতীত সাফল্য পেয়েছিল ছবিটি৷ ১৯৬৪ সালে এ ছবি থেকে আয় হয়েছিল ১২৫ মিলিয়ন ডলার!
জেমস বন্ড থেকে মুক্তি : জেমস বন্ডে অভিনয় এক সময় বড় একঘেয়ে মনে হচ্ছিল৷ সবসময় অর্থ আর জনপ্রিয়তাই তো সব নয়! কনারি চাইছিলেন জেমস বন্ড ইমেজটাকে ভাঙতে৷ ১৯৭৪-এ মুক্তি পাওয়া ‘জারডোজ’ অবশেষে তাঁকে সেই তৃপ্তি দিল
অস্কারজয়ী ‘স্যার’ কনারি : শন কনারি অভিনয় জীবনের সেরা স্বীকৃতিটি পেয়েছেন ১৯৮৭ সালে৷ সে বছর ‘দ্য আনটাচেবলস’-এ পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের জন্য অস্কার দেয়া হয় তাকে৷ পরে একবার গোল্ডেন গ্লোবও জিতেছেন কনারি৷ ২০০০ সালে ‘নাইট’ উপাধিও দেয়া হয় তাকে৷
উদারতা : ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে অনেক ছবিতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় চরিত্রে অভিনয়ের অফার প্রত্যাখ্যান করে সেই চরিত্র বয়সে তরুণদের দিতে শুরু করেন কনারি৷ এর অন্যতম উদাহরণ ১৯৮৬ সালের ‘হাইল্যান্ডার’ চলচ্চিত্রটি৷ এ চলচ্চিত্রে ‘মুখ্য’ চরিত্রটি ক্রিস্টোফার ল্যাম্বার্টের জন্য ছেড়ে দিয়ে ছোট, অথচ গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্র রূপায়ন করেছিলেন শন কনারি৷
হলিউডকে বিদায় : নব্বইয়ের দশক থেকে খুব ধীরে হলেও জনপ্রিয়তার ‘গ্রাফটা’ নীচের দিকে নামতে শুরু করে৷ ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’ সহ বেশ কয়েকটি ছবি বক্স অফিসে সফল হলেও কনারি বুঝতে পারছিলেন রূপালি পর্দাকে বিদায় জানানোর সময় এসেছে৷‘দ্য লিগ অফ এক্সট্রাঅর্ডিনারি জেন্টলম্যান’ ছবির পর শন তাই আর অভিনয় করেননি৷ ২০০৩ সালে ঘোষণা দিয়েই অভিনয়জীবনে ইতি টেনে ব্যক্তিগত জীবনে ডুব দিয়েছেন হলিউড ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকা৷

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: