মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক, অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৬২৫-৬২৭৬৪৩
দিরাই গুরুতর আহত ব্যক্তি মারা গেছেন

দিরাই গুরুতর আহত ব্যক্তি মারা গেছেন

আমার সুরমা ডটকম : দিরাইয়ের পল্লীতে দুই মেম্বারের মধ্যে আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুরুতর আহত চিকিৎসাধিন অবস্থায় একজন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তিনি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ধলকুতুব গ্রামের মৃত মছদ্দর উল্লাহর ছেলে মোস্তফা মিয়া (৩৫)। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৪ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ২৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সূত্র জানায়, গত ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দিরাইয়ের পল্লীতে দুই মেম্বারের মধ্যে আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের নারীসহ অর্ধশত আহত হয়, এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ জনকে আটক করেছে। আহত ও দিরাই থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ধলকুতুব গ্রামের বর্তমান মেম্বার তাজুল ইসলাম ও সাবেক মেম্বার সাজিদ মিয়ার লোকজনের মধ্যে পূর্ব শত্র“তার জের ও গ্রামে আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয়পক্ষের নারীসহ প্রায় অর্ধশত আহত হয় এবং এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ জনকে আটক করেছে দিরাই থানা পুলিশ। জানা যায়, সোমবার গ্রামের সাবেক মেম্বার সাজিদ মিয়ার লোকজনের একটি ডোবা সেচ করে মাছ ধরতে তারা ব্যস্ত ছিলেন, এমন সময় বর্তমান মেম্বার তাজুল মিয়ার লোকজন সেখানে গিয়ে তাদের ওপর হামলা চালালে নারীসহ কয়েকজন আহত হয়। এর জের ধরেই আবার মঙ্গলবার বর্তমান মেম্বারের লোকজন সাবেক মেম্বারের লোকজনের ওপর হামলা চালালে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে গ্রামের মৃত মছদ্দর উল্লাহর ছেলে মোস্তফা মিয়া (৩৫), মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে মকসুদ মিয়া (৪২), কামাল উদ্দিনের ছেলে আল আমিন (১০), মুসলিম উদ্দিনের ছেলে কবির হোসেন (২৬), আব্দুল আজিজের ছেলে আনোয়ার আলী (৩৫), মন্তাজ আলীর ছেলে নূরুল ইসলাম (৩০) ও শফিক মিয়া (৩৫), নূরুল ইসলামের ছেলে নাহিদুল ইসলাম (১৫), এরশাদ আলীর ছেলে নূর মিয়া (২০), আব্দুল কাহারের ছেলে নূর উদ্দিন (৩৫), মোশাহিদুল ইসলামের ছেলে আরিফ আলী (১৪), আব্দুল মালিকের ছেলে আব্দুল হেকিম (৪০), আব্দুল মুহিতের স্ত্রী শফিকুন নেছা (৪৫), মৃত রমজান উল্লাহর ছেলে আহমদ আলী (৮০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৫০), ইসমাঈল আলীর ছেলে সালেক মিয়া (১৯), সিরাজুল ইসলামের ছেলে কাউসারুল ইসলাম (২৩), আব্দুল হামিদের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম (২৪), সবুর আলীর ছেলে মিসবাহ উদ্দিন (১৬) ও মোঃ চান্দ আলী ছেলে ইয়াহইয়া আহমদ (৩০)। এরমধ্যে গুরুতর আহত মোস্তফা মিয়া (৩৫), মকসুদ মিয়া (৪২), কবির হোসেন (২৬), আনোয়ার আলী (৩৫) ও নূরুল ইসলামকে (৩০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের বেশিরভাগই দিরাই ও সুনামগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে গুরুতর আহত হওয়ার মোস্তফা য়িাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জ্যন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে ১৪ দিন চিকিৎসাধিন থাকার পর মঙ্গলবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঘটনার দিন খবর পেয়ে এসআই রূপকরের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রামের উভয়পক্ষের ৮ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান এসআই রূপকর।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: