বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:২০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক, অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৬২৫-৬২৭৬৪৩
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ নিহতের সংখ্যা ৫০০০ ছাড়ালো, তিন মাসের জরুরি অবস্থা জারি তুরস্কে রাজাকার ও বিএনপির লোকদের নিয়ে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শোকর‌্যালি পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফের মৃত্যু চট্টগ্রাম কলেজের ১৭৫ শিক্ষার্থী ৩ ঘন্টার অভিযানে ডুবোচর থেকে উদ্ধার ফরিদপুরে একই পরিবারে ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ কে হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি জানা যাবে মঙ্গলবার বিশ্ব হাত গুটিয়ে বসে থাকলে আরেকটি রোহিঙ্গা গণহত্যা হবে: জাতিসঙ্ঘ ১০ দফা আদায়ে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে: মির্জা ফখরুল বহিষ্কৃত নেতার সমাবেশে জেলা সভাপতি: উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা
শিক্ষার্থীদের রোষানলে পড়ে বাথরুমে আশ্রয় নিল নিট’র উপ-পরিচালক, অতঃপর…

শিক্ষার্থীদের রোষানলে পড়ে বাথরুমে আশ্রয় নিল নিট’র উপ-পরিচালক, অতঃপর…

index_106657আমার সুরমা ডটকম : ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি’র (নিট) সিলেট বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাথরুম থেকে উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিক্ষার্থীদের রোষানলে পড়ে বাথরুমে আশ্রয় নেয়ার আড়াই ঘণ্টা পর রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে তাকে উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। নিট সিলেটের বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি নগরীর পুরানলেনে অবস্থিত।
জানা যায়-নিট ২০১২ সাল থেকে সিলেটে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের যেসব সার্টিফিকেট দেয়, তার কোনো প্রমাণ তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে নেই। এজন্য শিক্ষার্থীরা তাদের সার্টিফিকেট নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করলে তা বাতিল হয়ে যায়। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষকে বললেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। রোববার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুরানলেনস্থ নিট বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জড়ো হয়। তারা সেখানে উপস্থিত থাকা নিট’র উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেনের দিকে মারমুখি হলে তিনি বাথরুমে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শিক্ষার্থী হুমায়ুন রশিদ জানান-এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে ২০১২ সাল থেকে যারা সার্টিফিকেট পেয়েছে, তাদের সার্টিফিকেট নিটের ওয়েবসাইটে নেই। সার্টিফিকেটে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। মেডিক্যালের শিক্ষক দিয়ে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন বিষয়ে ক্লাস নেয়া হয়। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা কয়েকদিন ধরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ম্যানেজার হাফিজকে চাপ দিতে থাকে। এর প্রেক্ষিতে ঢাকা থেকে আনোয়ার হোসেন আসেন। কিন্তু তিনিও নিটের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই সুমন সরকার জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপ-পরিচালক দাবিদার আনোয়ার হোসেনকে বাথরুম থেকে বের করে তার পরিচয়পত্রের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। তিনি পরিচয়পত্র দেখাতে পারেন নি। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
error: