বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
আমার সুরমা ডটকম:
‘প্রকল্প কমিটিতে নাম না থাকার পরও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানীর চেষ্টার অংশ হিসেবে একটি মানববন্ধনে ছবি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগেপত্রে নিজের নাম থাকায় এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল না হওয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রদান করে এবং আমার নাম প্রকল্প কমিটিতে না থাকার পরও তথাকথিত মানববন্ধনের ব্যানারে ছবি দিয়ে যে মানহানী করা হয়েছে, এর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’। বুধবার রাতে বাসস্টেশন সংলগ্ন স্বপ্নচারী সঞ্চয় ও ঋণদান সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদী প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জিয়াউল করিম।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, দিরাই উপজেলা পরিষদ থেকে ‘গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর সাধারণ ২য় পর্যায়) কর্মসূচির আওতায় সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের চণ্ডিপুর খালপাড়ের সরকারি রাস্তা সংস্কারের জন্য এক লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। কাজটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য মোঃ আমির হোসেনকে সভাপতি ও মোঃ রেজাউল ইসলামকে সেক্রেটারী করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দেয়া হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মোঃ ফয়সল মিয়া, মোঃ জাহিদুর রহমান ও মোঃ রমজান মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করা হয়, আমার নাম কমিটিতে না থাকার পরও তথাকথিত মানববন্ধনের ব্যানারে আমার নাম ও ছবি দিয়ে সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক মর্যাদাহানী করা হয়েছে। যা রাষ্ট্রীয় আইনে চরম অপরাধ বলে গণ্য হয়। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার হীন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়ারও ঘোষণা দেয়া হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ আমির হোসেন, সেক্রেটারী মোঃ রেজাউল ইসলাম, সদস্য মোঃ ফয়সল মিয়া, মাওলানা মুহাম্মদ মিয়া প্রমুখ।
এ সময় কমিটির সভাপতি মোঃ আমির হোসেন, সেক্রেটারী মোঃ রেজাউল ইসলাম ও সদস্য মোঃ ফয়সল মিয়া বলেন, আমরা যে সময় প্রকল্পটি হাতে পেয়েছি, সে সময় মাটি ও ট্রলি সংকট দেখা দেয়। এরপর চলে আসে চৈত্রের অস্বাভাবিক বৃষ্টি। সঙ্গত কারণেই কাজ শুরু করা যায়নি। তবে প্রকল্পের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তারা জানান।