শনিবার, ১৩ Jun ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ আসামি আটক সুনামগঞ্জে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে হতাহত ২০ ঈদের দিনসহ আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেলা ছাত্র জমিয়তের কঠোর হুশিয়ারী: শহীদ মুশতাক গাজিনগরী হত্যা মামলার ধীরগতিতে প্রশাসনের উদাসিনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে প্রায় চারশ কোটি টাকার লেনদেনের আশাবাদ: সুনামগঞ্জে কুরবাণীর জন্য প্রস্তুত ৫৩ হাজারের বেশি দেশীয় গবাদী পশু সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ৫ যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে মুসলিম স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়জয়কার: ১০০টিরও বেশি আসনে জয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি: দিরাইয়ে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু দিরাইয়ে তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে নেয়ার অভিযোগে কৃষকদের ক্ষোভ দিরাইয়ের বাজারে অপরিপক্ব লিচু: দামও চড়া

বাবা রামের বিছানায় সাধ্বীদের পাঠাতো কথিত মেয়ে!

আমার সুরমা ডটকম ডেস্কধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিমের সিংয়ের সঙ্গে কথিত মেয়ে হানিপ্রীতের যৌন সম্পর্কের কথা ইতিমধ্যেই জানাজানি হয়েছে। তবে বাবার এই পালিত মেয়ের বিরুদ্ধে এবার উঠেছে আরো গুরুতর অভিযোগ। খোদ হানিপ্রীতেরই ঘনিষ্ঠ এক বান্ধবী দাবি করেছেন, বাবার লালসা পূরণে সাধ্বীদের তার বিছানায় পাঠাতো খোদ এই মেয়ে। খবর: জিনিউজ।

হানিপ্রীতের ওই বান্ধবী ডেরার প্রাক্তন ওই সাধ্বী দাবি করেন, প্রতিদিন রাত ১০টার সময় হানিপ্রীতকে এসএমএস করতেন রাম রহিম। আর রাম রহিমের দাবি পূরণ করত হানিপ্রীত। তিনি বলেন, রাম রহিমের সঙ্গে হানিপ্রীতের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। তাদের এক বিছানায় শুয়ে থাকতেও বহুবার দেখেছি। নিজে তো বটেই, অন্য মেয়েদেরও রাম রহিমের লালসার শিকার হতে বাধ্য করতো হানিপ্রীত।

তদন্তকারীদের ওই সাধ্বী জানান, রাম রহিমের ডেরায় যখন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো, তখন সুন্দরী সাধ্বীদের অনুষ্ঠানে হাজির করানোর দায়িত্ব থাকতো হানিপ্রীতের উপর। তিনি বলেন, প্রত্যেক সাধ্বীর উপরই নজর থাকতো রাম রহিমের। যাকে পছন্দ হতো, তাকে রাতে যেতে হতো বাবার গুহায়। কোন সাধ্বীকে সেই রাতে লালসার শিকার বানাতে চান, তা অনুষ্ঠান চলাকালীনই ঠিক করে নিতেন রাম রহিম। পরে তার নাম হানিপ্রীতের মোবাইলে এসএমএস করে দিতেন তিনি।

সাধ্বীর দাবি, প্রথমে স্বেচ্ছায় আনন্দের সঙ্গে গুহায় যেতে রাজি থাকত মেয়েরা। কারণ হানিপ্রীত তাদের বোঝাতো- তারা বাবার আশির্বাদ পাবে। এরপর হানিপ্রীত তাদের গোলাপি রঙের পানীয় খাওয়াতো। সেটা পান করার পরই কিছুটা আচ্ছন্ন হয়ে যেত তারা। ভণ্ডবাবার গুহা থেকে বের হওয়ার পর কোনো মেয়েই আর কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে থাকতো না। সাধ্বীর কথায় উঠে এসেছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাম রহিম নাকি গুহার ভিতর ৪-৫ জন সাধ্বীর সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় নাচও করতেন।

দুই সাধ্বীকে ধর্ষণের দায়ে ২০ বছরের সাজা খাটছেন বাবা রাম রহিম। বাবাকে জেলে পুরতেই উধাও হয়ে গেছেন তার কথিত কন্যা মোস্ট ওয়ান্টেড হানিপ্রীত। তাকে হন্য হয়ে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com