সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চালু হলো আইসিইউ সেবা দিরাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ আসামি আটক সুনামগঞ্জে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে হতাহত ২০ ঈদের দিনসহ আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেলা ছাত্র জমিয়তের কঠোর হুশিয়ারী: শহীদ মুশতাক গাজিনগরী হত্যা মামলার ধীরগতিতে প্রশাসনের উদাসিনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে প্রায় চারশ কোটি টাকার লেনদেনের আশাবাদ: সুনামগঞ্জে কুরবাণীর জন্য প্রস্তুত ৫৩ হাজারের বেশি দেশীয় গবাদী পশু সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ৫ যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে মুসলিম স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়জয়কার: ১০০টিরও বেশি আসনে জয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি: দিরাইয়ে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু দিরাইয়ে তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে নেয়ার অভিযোগে কৃষকদের ক্ষোভ

দীর্ঘ ২৮ বছর পর শুশায় আজানের ধ্বনি

amarsurma.com

আমার সুরমা ডটকম ডেস্ক:

দীর্ঘ ২৮ বছর পর নাগর্নো-কারাবাখের শুশা শহরে আজানের ধ্বনি শোনা গেছে। বুধবার স্থানীয় ঐতিহাসিক ইউখারি গভহার আগা মসজিদে আজান দেন এক আজারি সেনা। সেটির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গত সপ্তাহে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে আর্মেনিয়া সরকার অঞ্চলটির দখল মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে। যা আজারিদের জন্য অনেক বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ ঘোষণা দিয়ে বলেন, তার দেশের সৈন্যরা আর্মেনীয় বাহিনীর হাত থেকে শুশা শহর মুক্ত করে নিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর শহরটিতে আবারও আজান শোনা যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, নাগর্নো-কারাবাখ যে ঐতিহাসিকভাবে আজারবাইজানের ভূমি, এটা আবারও আমরা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি।

তুর্কি গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহর তথ্যমতে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে অঞ্চলটি নিয়ে বিবাধ সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে ১৯৯২ সালের ৮ মে শুশা শহর দখল করে নেয় আর্মেনীয় বাহিনী।

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু নব্বইয়ের দশক থেকে এতদিন পর্যন্ত সেটির নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্মেনীয় নৃ-গোষ্ঠীর হাতে।

অন্যদিকে, নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করে অঞ্চলটির বাসিন্দারা। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় আইনগতভাবে সেটি আজারবাইজানের অধীনেই থেকে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com