বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দিরাইয়ে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন দিরাই-শাল্লার অভিভাবকত্বে প্রধানমন্ত্রী: প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপে দিরাইয়ের ৬৯৭ পরিবারে আগামিকাল বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ট্রাম্পকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কাতারের আমিরের লন্ডন প্রবাসীর অর্থায়নে দিরাইয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান দিরাইয়ে ডোবায় পানি সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ছে আমগাছ ইমাম-খতিবদের সম্মানি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ইন্তেকাল: ইরানে ৪০ দিনের শোক পালন শুরু সৌদি, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত ও আরব আমিরাতে বিস্ফোরণ
পরিবেশ ছাড়পত্র পায়নি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: বনমন্ত্রী

পরিবেশ ছাড়পত্র পায়নি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র: বনমন্ত্রী

rampla_131010আমার সুরমা ডটকম সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এখনও পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার মঞ্জু। বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “রামপালে নির্মিতব্য খুলনা ১৩২০ মোগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য এখনও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়া হয় নাই।” বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রকল্প হিসেবে ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। ‘মৈত্রী সুপার থারমাল’ নামের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সুন্দরবনের ইউনেস্কো ঘোষিত হেরিটেজ অংশ থেকে ৬৯ কিলোমিটার এবং সুন্দরবনের প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে দাবি করে তার বিরোধিতা করছে বিভিন্ন সংগঠন। ওই আশঙ্কা নাকচ করে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সুন্দরবনের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।
জাতীয়পার্টির এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (ইআইএ) প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “ইআইএ প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত মিটিগেশন মেজার্স যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।” রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না দাবি করে তিনি বলেন, “এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হলে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং সুন্দরবনের ওপর স্থানীয় মানুষের নির্ভরশীলতা হ্রাস পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com