রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী দিরাইয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানীর চেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত

amarsurma.com
দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত

আমার সুরমা ডটকম:

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে এই প্রথম পাওয়া গেছে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ এই সাকার ফিশ বা সাকার মাউথ ক্যাটফিশ। গতকাল রোববার সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের উত্তর চান্দপুর গ্রামের একজন জেলের জালে তা ধরা পড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিষিদ্ধ এ সাকার ফিসের বৈজ্ঞানিক নাম Hypostomus plecostomus। এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি ক্ষতিকর ও আক্রমণাত্মক বিদেশি মাছ। অল্প অক্সিজেন ও দূষিত পানিতেও ২৪ ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারে। দেশীয় মাছ ও জলজ পরিবেশের জন্য চরম হুমকি হওয়ায় সরকার এটি বাংলাদেশে চাষ, বিপণন ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। মূলত সাকার ফিশ বা সাকার মাউথ ক্যাটফিশের আবাসস্থল হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার স্বাদু পানির নদী-নালা। এটি বাংলাদেশে আশির দশকে অ্যাকোয়ারিয়ামের শেওলা পরিষ্কার করার জন্য বাহারি মাছ হিসেবে প্রথম আনা হয়। পরবর্তীতে অসাবধানতাবশত বা অন্য কোনো উপায়ে মুক্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা যায়, এগুলো পরিবেশগত ক্ষতিকর প্রভাব ও খাদ্যের প্রতিযোগিতায় এরা দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছের খাবার, ডিম ও রেণু খেয়ে ফেলে। শারীরিকভাবে এদের পিঠে ও দুই পাশে বড়, ধারালো পাখনা থাকে, যার আঘাতে দেশীয় মাছেরা গুরুতর আহত হয় বা মারা যায়। জলাশয়ের পাড়ে গভীরে গর্ত করে এরা বাঁধ বা পাড়ের ক্ষতি করে।
এই মাছ মানব স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকি। দূষিত পানি ও জলাশয়ের তলদেশে বাস করার কারণে এদের শরীরে হেভিমেটাল বা বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাকার ফিশ খেলে মানবদেহে রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও জেলেদের জালে আটকা পড়লে এদের ধারালো পাখনা মানুষের হাতে ও পায়ে বিঁধে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি করে। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে সরকারি নির্দেশনা হিসেবে পাওয়া সাকার ফিশ বিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, উন্মুক্ত বা বদ্ধ জলাশয়ে এই মাছ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তা নিরাপদ উপায়ে ধ্বংস করতে হবে। শৌখিন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অ্যাকোয়ারিয়ামে বা হ্যাচারিতে এর লালন-পালন ও প্রজনন সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
দিরাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সন্দিপন মজুমদার বলেন, আমি দিরাই আসার পর এই প্রথম শোনলাম সাকার ফিসের অস্বিস্ত এখানে। এটি মূলত সরকার নিষিদ্ধ একটি মাছ। এর শরীরে অনেক ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে। কিভাবে এটি দিরাইয়ে এলো-এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হয়তো প্রাকৃতিক উপায়ে হতে পারে। এগুলো মূলত বেশি দিনের পাতা পচা স্থান থেকেও জন্ম নিতে পারে। তাই এটিকে কেরোসিন দিয়ে মাটির নিচে পুতে ফেলতে হবে বলেও তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com