বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের আট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী
দ্বিতীয়বারের মত মন্ত্রী, কে এই মোস্তাফা জব্বার?

দ্বিতীয়বারের মত মন্ত্রী, কে এই মোস্তাফা জব্বার?

amarsurma.com

আমার সুরমা ডটকম:

মোস্তাফা জব্বার। নতুন সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী। টানা দ্বিতীয়বারের মত মন্ত্রীর আসনে বসেছেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার ১৯৪৯ সালের ১২ আগষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার চর চারতলা গ্রামের নানার বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে।

তার বাবা আব্দুল জব্বার তালুকদার পাটের ব্যবসায়ী ছিলেন। তার দাদা আলিমুদ্দিন মুন্সি ছিলেন বিশাল ভূ সম্পত্তির মালিক যার উপাধি ছিলো তালুকদার। তার মা রাবেয়া খাতুন সমগ্র জীবন গৃহিনী হিসেবেই জীবন যাপন করেছেন।

তিনি ১৯৬০ সালে প্রাথমিক পড়াশোনা শেষ করে তৎকালীন সিলেট জেলার (বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার অধীনস্থ) বিরাট নামক উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে এসএসসি পাশ করেন। এছাড়া ঢাকা কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পাশ করেন।

এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৭২ সালে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই পরীক্ষাটি ১৯৭১ সালে হবার কথা ছিলো। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পরীক্ষা হলেও মুক্তিযুদ্ধের কারণে পরে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এরপর তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালের পরীক্ষা ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

ছাত্রজীবনে রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য চর্চা, সাংবাদিকতা, নাট্য আন্দোলনের সাথে ব্যাপকভাবে জড়িত ছিলেন মোস্তাফা জব্বার। ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তার লেখা বাংলাদেশের প্রথম গণনাট্য ‘এক নদী রক্ত’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রে মঞ্চস্থ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠকালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ছাত্রলীগের পক্ষে নির্বাচন করে সূর্যসেন হলের নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার আগে তিনি সাপ্তাহিক জনতা পত্রিকায় লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে মোস্তাফা জব্বার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মুজিব বাহিনীর খালিয়াজুরি থানার সহ অধিনায়ক ছিলেন। তার বাড়ীর পাশের সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১৬১ জন রাজাকার যুদ্ধোত্তরকালে তার কাছে আত্মসমর্পণ করে যার মধ্যে ১০৮ জনকে মুক্তিযোদ্ধারা হত্যা করে।

মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সাবেক সভাপতি। বাংলা লেখার সফটওয়্যার বিজয়ের নির্মাতা তিনি। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com