বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়লেও অক্ষত কুরআন শরীফ সবাহী মক্তব ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মক্তব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে নিজ জমিতে কাজ করতে দিচ্ছে না ভূমি খেকো একটি চক্র সুনামগঞ্জের তিনটিতে দ্বিমুখি ও দুইটিতে ত্রিমুখি লড়াইয়ের সম্ভাবনা শহীদ মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরীর নতুন ঘর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত একই মঞ্চে ধানের শীষের সব প্রার্থী: বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবে মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিদেশী পিস্তলসহ গ্রেফতার ১ নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে মাওলানা শুয়াইব আহমদের আবেগঘন স্ট্যাটাস দিরাই মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল কাদিরের দাফন সম্পন্ন সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য

গর্ভাবস্থায় যেভাবে শোয়া উচিত

amarsurma.com

আমার সুরমা ডটকম ডেস্ক:

সন্তানকে পৃথিবীতে আনার সময় একজন নারীকে সহ্য করতে হয় অনেক কষ্ট। সেই কষ্ট থেকে রেহাই মেলে না ঘুমের সময়ও। গর্ভাবস্থায় পেট ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, শরীরের হরমোনগুলোর ক্ষরণ বেড়ে যায়, ফলে নিঃশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়।

এছাড়া পেটের আকার বাড়ায় চাপ পড়ে মেরুদণ্ডের ওপর। কোমর ও পিঠের ব্যথাও বাড়ে এ সময়। সব মিলিয়েই কিন্তু ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে এমন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় শুয়ে থাকার বেশ কিছু কৌশল রয়েছে।

তবে চলুন জেনে নিই গর্ভাবস্থায় কীভাবে শুয়ে থাকবেন-

চিৎ বা উবু হয়ে শোবেন না

এতদিন হয়তো আপনি চিৎ বা উবু হয়ে শুয়ে থাকতেই বেশি পছন্দ করতেন। কিন্তু গর্ভাবস্থায় তা একেবারেই করা যাবে না। এমনটাই মত বেশিরভাগ গাইনিকোলজিস্টের। তাদের মতে, একজন গর্ভবতী নারী যখন চিৎ হয়ে শুয়ে থাকেন, তখন তার মেরুদণ্ড ও কোমরের হাড়ে অত্যন্ত চাপ পড়ে, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

গর্ভাবস্থায় একজন নারীর শরীরে রিলাক্সিন হরমোন ক্ষরিত হয়, যা বিভিন্ন হাড়ের সংযোগস্থলের টেনডনকে আলগা করে দেয়। ফলে এই সময় তাদের হাড় যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়ে। পেটের আকার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই এই দুর্বল হাড়গুলোতে অত্যধিক চাপ পড়ে। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেই, যন্ত্রণা বাড়লে ঘুমও আসে না সহজে।

পাশ ফিরে শোওয়ার অভ্যাস করুন

চিকিৎসকরা গর্ভাবস্থায় পরামর্শ দেন পাশ‌ ফিরে শুয়ে থাকতে। একে বলে sleep on side বা সংক্ষেপে SOS। পাশ ফিরে শুয়ে থাকলে আপনার কোমর ও পিঠের হাড়ে কোনোরকম চাপ পড়বে না। হৃৎপিণ্ডের রক্তসঞ্চালনে তাই কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয় না। পাশ ফিরে শোওয়ার আরেকটি ভালো দিক হলো নিঃশ্বাসের সমস্যা না হওয়া।

চিকিৎসকরা বলেন, বাম দিকে ফিরে শুয়ে থাকা সব থেকে ভালো এবং এতেই সবচেয়ে আরামে ঘুমানো সম্ভব‌। কারণ আমাদের লিভার থাকে ডানদিকে, বামদিক ফিরে শুলে লিভারের ওপর চাপ পড়ে না, এতে খাদ্যনালীর সিস্টেম যেমন ঠিকঠাক কাজ করে, তেমনই ঘুমের ক্ষেত্রেও এনে দেয় আরাম।

এদিক-ওদিক ফেরা যাবে না

গর্ভাবস্থায় ঘুমের অসুবিধার কারণে অনেকেই এদিক ওদিক ফিরে নিজের সবচেয়ে কমফোর্ট জোনকে খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে অহেতুক চাপ পড়ে হাড় ও হাড়ের জয়েন্টে। অনেকেই ঘুমের মধ্যে এদিক ওদিক ফিরতে বা ‍শুয়ে থাকার ভঙ্গি বদল করতেই অভ্যস্ত। এমনটা করলে নিজের অজান্তেই রক্তসঞ্চালনে সমস্যা তৈরি হতে পারে, নিঃশ্বাসের সমস্যায় ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে, এমনকি বাড়তে পারে কোমর ও পিঠের যন্ত্রণা।

তাই চিকিৎসকরা বলেন, যেদিক ফিরেই শুয়ে থাকেন, পিঠের দিকে যেন একটি বালিশ রাখা থাকে। এটি থাকলে সহজে শোওয়ার ভঙ্গি বদলানো অসম্ভব। অনেক নারীরাই বলছেন পাশ ফিরে শুয়ে পা ভাঁজ করে দুপায়ের ফাঁকে একটি বালিশ রাখলে ভালো ঘুম হয়। এ ছাড়া পাশ ফিরে শুয়ে পেটের নিচে একটি বালিশ নিয়ে শুয়ে থাকতেও অনেক আরামবোধ করেন।

এই কৌশলগুলো শুয়ে থাকার সময় চেষ্টা করে দেখতে পারেন। তবে সবার আগে এক্ষেত্রেও কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শই নেওয়া উচিত। তাই সেদিক থেকে কোনো ফাঁক না থাকাই ভালো।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com