সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৪ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
শিশির মনিরের নামে মামলা, তদন্তে ডিবি ‘কেমন আছেন ইমরান খান?’, কারাগারে দেখে আসার পর কি জানালেন বোন উজমা? কর্মবীর মাওলানা আব্দুর রহমান সিংকাপনী গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব লণ্ডনে অনুষ্ঠিত : সিংকাপনী ব্রাদার্সরা ছিলেন মুসলিম জাতির রাহবার পাকিস্তানের প্রখ্যাত স্কলার মাওলানা ফজলুর রহমান: ভৌগোলিকভাবে বিভক্ত হলেও আমাদের আদর্শে ভিন্নতা নেই ক্বায়িদে মিল্লাত মাওলানা ফজলুর রহমান ৭ দিনের সফরে বাংলাদেশে আগমন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম আবাদ: আমনের বাম্পার ফলনের আশাবাদ কৃষকের মামদানির ভূমিধস বিজয়ে ধরাশায়ী ট্রাম্প চূড়ান্ত নিবন্ধন পেলো এনসিপিসহ তিন দল মন্তব্য প্রতিবেদন: বর্তমান সরকারের সংস্কারের অর্জন কতটুকু? ‘ক্লিন দিরাই’-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন
বাবা যেখানে চা বিক্রেতা, সেই কোর্টেই বিচারক হলেন মেয়ে

বাবা যেখানে চা বিক্রেতা, সেই কোর্টেই বিচারক হলেন মেয়ে

we-22আমার সুরমা ডটকম ডেক্স : ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এক সময় চা বিক্রি করতেন। তাছাড়া বাবা কষ্ট শ্রমিক, কুলি, মজুর সন্তান বড় অফিসার সিনেমার পর্দায় এমনটা প্রায়ই দেখা যায়। বাস্তবেও এমন ঘটনা কম নয়। এবার ভারতের পাঞ্জাবে এক চা বিক্রেতার মেয়ে আদালতের বিচারক হলেন। এতে অবাক করার কিছু নেই তাইতো? আসলে ভাগ্যের পরিহাসে সেই মেয়ে বিচারক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন সেই আদালতে যেখানে তার বাবা চা বিক্রি করেন। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, পাঞ্জাবের জলন্ধরের এক আদালত চত্বরে চা বিক্রি করে সংসার চালানো ওই ভাগ্যবান পিতা হলেন সুরেন্দ্র কুমার নামের এক ব্যক্তি।

গণমাধ্যমগুলো লিখেছে, সুরেন্দ্রর মেয়ে শ্রুতি পড়াশোনায় শুরু থেকেই ভাল ছিল। বছর ২৩-এর শ্রুতি প্রথম বারেই পাশ করেছেন পাঞ্জাব সিভিল সার্ভিস(জুডিসিয়াল) পরীক্ষা। এরপর একবছর ট্রেনিং-এর পর এখন পঞ্জাবের জলন্ধরে নাকোদার শহরের সাব-ডিভিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারকের পদে নিযুক্ত হলেন। এসসি ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন শ্রুতি। মেয়ের বিচারক হওয়ার খবরে বাবার চোখে বইছে আনন্দ অশ্রু। তিনি বলেছেন, ‘এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম। বিশ্বাস ও এরকম একটা কিছু করবে।’ কথাটা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন। আর মেয়ে শ্রুতি বলেছেন, ‘আমার কাজটা সহজ ছিল না ঠিকই। কিন্তু বাবাকে চা বিক্রি করতে দেখে জেদটা চেপে গিয়েছিল। সেই জেদটার জন্যই হয়তো স্বপ্নের চাকরিটা নিতে পেরেছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি সবসময়ই চাইতাম কোনো আইনি পেশার সঙ্গে যুক্ত হতে। বিশেষত চাইতাম বিচারক হতে। তাই এই পরীক্ষায় বসা এবং প্রথমবারেই সাফল্য।’ এ সাফল্যের পর শ্রুতিকে নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে উচ্ছ্বাস, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। হবেই বা না কেন, নারীর ক্ষমতায়ন বাড়াতে একযোগে কাজ চলছে ভারত জুড়ে। এসময় এমন শুভ একটি সংবাদ, নিশ্চয়ই অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com