রবিবার, ১৬ Jun ২০২৪, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
দিরাইয়ে প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে জার্মান প্রকৌশলী

দিরাইয়ে প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে জার্মান প্রকৌশলী

amarsurma.com
দিরাইয়ে প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে জার্মান প্রকৌশলী

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
বাংলাদেশে দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রস্তুতি শক্তিশালীকরণ এবং অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ সহনশীল ঘর নির্মাণ পরিদর্শন করতে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাড়ল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কলিদ্রুম গ্রামে আসেন জার্মান হিউমেন ট্রেকচার কনসালটেন্ট রেবেক্কা ট্রেজার। তিনি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ও কুলঞ্জ ইউনিয়নের ১০টি গ্রামে বাস্তবায়িত নির্মিত ঘর, টয়লেট ও গ্রাম সুরক্ষা দেয়ালগুলোর কাজ ঘুরে ঘুরে দেখেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডিকেএইচ জার্মান অর্থায়নে ও সিসিডিবি এবং অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) সহযোগিতায় এএসডি স্টেপ এন্ড বিল্ডিং প্রজেক্টের আওতায় বাস্তবায়িত কাজ দেখতে তিনি দিরাইয়ে এসেছেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন এএসডি ঢাকা অফিসের ফোকাল পার্সন সত্যব্রত দাস, সিসিডিবির টেকনিক্যাল ম্যানেজার রাহাতুল আশেকীন, এম এন্ড ই ম্যানেজার রোবায়েদ করিম, প্রকল্প ম্যানেজার মোঃ দেলোয়ার হোসেন, তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলী আহমদ, ফিল্ড সুপার ভাইজার মোঃ মদরিছ মিয়া চৌধুরী, টিও ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, তাড়ল ইউনিয়নের এফও অজিত কুমার দাস ও সন্তোষ চৌধুরী।
প্রকল্পের সুবিধাভোগী তাড়ল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কলিদ্রুম গ্রামের সুরাজ উদ্দিনের স্ত্রী সাকিরা বেগম (৪৮) জানান, ৫ সদস্যের পরিবারে অভাবের তাড়নায় স্বামী-স্ত্রী মিলে ৬ মাসের জন্য গরু রাখালের কাজ করেন। এর দ্বারা যা আয় হয়, তা দিয়েই কোন মতে সংসার চলছে। গত ভয়াবহ বন্যায় তার ঘরটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। বর্তমানে ঘরটি পেয়ে তিনি জার্মান সরকার ও সংশ্লিষ্ট দাতা গোষ্ঠীদের ধন্যবাদ জানান।
তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলী আহমদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের এ মহৎ কাজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের এ কাজের দ্বারা আমার ইউনিয়নের অনেক অসহায় পরিবার সুফল ভোগ করছে। আমি দাবী জানাই, যেন এ কার্যক্রম আরও ব্যাপক ও দীর্ঘ মেয়াদি আকারে করেন। এতে এলাকার আরও কিছু মানুষ সুবিধার আওতায় চলে আসবে।
এএসডি কর্তৃপক্ষ জানান, মূলত ডিকেএইচ জার্মান অর্থায়নে যে ঘর নির্মাণ, টয়লেট ও গ্রাম সুরক্ষা দেয়ালের কার্যক্রমগুলো চলছে, তার টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখতে তিনি এসেছেন। রেবেক্কা ট্রেজার তা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলেও তারা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com