রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
দিরাইয়ে অনলাইন জুয়াড়ির ২ সদস্য আটক সাগর পথে ইউরোপ যাত্রায় স্বপ্নভঙ্গ: সুনামগঞ্জে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫: ৯ দালালের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা ইউরোপ যাওয়া হলো না সুনামগঞ্জের ১২ জনের, পরিবারে শোকের মাতম সুনামগঞ্জে পৃথক সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, ভাঙচুর, লুটপাট, আটক ৭ সুনামগঞ্জে মর্মান্তিক মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ৩ সম্পাদকীয়: ঈদুল ফিতরে ভ্রাতৃত্বের দরজা খুলে যাক দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে পালাচ্ছে মার্কিন রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড শীর্ষ নেতা লারিজানি হত্যার শোধ হবে ‘ভয়াবহ’, হুঁশিয়ারি ইরানের আযাদ দ্বীনী এদাার বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: পাসের হার ৮৭.৯৫
মুরাদের উড়োজাহাজ দেখতে মানুষের ভিড়

মুরাদের উড়োজাহাজ দেখতে মানুষের ভিড়

p pic_106855আমার সুরমা ডটকম : উড়োজাহাজটি যেন এখনই আকাশ থেকে আছড়ে পড়েছে গ্রামে। প্রথম দর্শনে তা-ই মনে হবে। শখের উড়োজাহাজটি যে হৃদয়ের সবটুকু দরদ দিয়ে নিপুণ হাতে তৈরি। ইঞ্জিন, ককপিট, সিঁড়ি, দরজা, জানালা, বসার আসন সবই রয়েছে এতে। উড়োজাহাজটি তৈরি করেছে ১৫ বছরের কিশোর মুরাদ হোসেন। আড়াই মাস ধরে খেটেছে সে। মনের মাধুরী মিশিয়ে বানিয়েছে উড়োজাহাজ। এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে যেভাবেই হোক বিজয় দিবসের আগেই উড়োজাহাজ বানানো শেষ করবে মুরাদ। তারপর বিজয় দিবসে তা পানিতে চালাবে।
মুরাদের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৬ নম্বর রূপসা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে। বাবা নজরুল ইসলাম রিকশাচালক। মা জাহানারা বেগম বাকপ্রতিবন্ধী। চার ভাইবোনের মধ্যে মুরাদ বড়। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে পড়েছে। বাবা আর খরচ চালাতে পারেননি। তাই পড়াশোনা এখানেই শেষ। বিদ্যুতের সরঞ্জামের দোকানে কাজ করে সে। ছোটবেলা থেকেই মুরাদ একটু খেয়ালি। তার শিল্পী মন নতুন কিছু খুঁজে বেড়ায়। শখের বশে আপন মনে মুরাদ নানা জিনিস বানায়। কখনো গাড়ি, কখনো লঞ্চ, কখনো হেলিকপ্টার। এরপর পানিতে ভাসিয়ে দেয়। তা দেখে আনন্দের শেষ থাকে না গ্রামবাসীর।
গ্রামের বাসিন্দা তছলিম মোহরী বলেন, ‘মুরাদের এমন উৎসাহ দেখে আমিসহ এলাকাবাসী বিভিন্ন সময় তাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন। তার নিপুণ হাতের কাজ দেখে অভিভূত হই। সাধ্য থাকলে আমার নিজের পকেট থেকে লাখ টাকা দিয়ে দিতাম। যে টাকায় সে আরও নতুন কিছু তৈরি করে আমাদের দেখাতে পারত।’ কীভাবে এমন সুন্দর উড়োজাহাজ তৈরি করল জানতে চাইলে মুরাদ বলে, আড়াই মাস ধরে একটু একটু করে উড়োজাহাজটি তৈরি করেছে। স্টিলের রড, কাঠ, ব্যাটারি দিয়েই উড়োজাহাজটি তৈরি করেছে। ভেতরে ইঞ্জিনও আছে। চালু করলে একদম উড়োজাহাজের মতো শব্দ শোনা যায়। বিমানের চালকের জন্যও বসার আসন রয়েছে। তাছাড়ও আছে আরও সাতটি আসন। খরচ পড়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। মুরাদের উড়োজাহাজটি দেখতে ভিড় জমেছে গ্রামবাসীর। আশপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও দেখতে আসছে উড়োজাহাজটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com