সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
সামিউল কবির, স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে সুধী সমাবেশ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল হক। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় উপজেলার পাগলা বাজারের কলেজ মার্কেটের সামনে এ সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদের প্রবীণ মুরব্বি রশিক দেবনাথের সভাপতিত্বে, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তালুকদার ও ব্যবসায়ী শাহীন রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নবাসী আমাকে উন্নয়নের জন্য নির্বাচিত করেছেন। আমি মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান সাহেবের সহযোগীতায় উন্নয়ন করে যাচ্ছি। আমি নির্বাচিত হওয়ার পরে ইতোমধ্যে কি উন্নয়ন হচ্ছে সেইটার বিচার আপনারা করবেন। কিছুদিনের মধ্যেই ৬টি ব্রীজ উদ্বোধন হবে। পাগলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে, এছাড়াও শুনেছি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যে মন্ত্রণালয়ে আছেন সে মন্ত্রণালয় থেকে স্কুল জাতীয়করনের ফাইলও অনুমোদন হয়ে গেছে, আরও অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নের অপেক্ষায় আছে। ‘রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ, বাংলাদেশ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মান্নানকে নিয়ে কিছু মানুষ ক্রমাগত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তারা রাজনীতির নামে সভা সমাবেশ করে প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে হেয় করতে চাইছে। আমার ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করার নীল নকশা তারা এঁটেছে। তদের কাছে পাগলাবাসীর উন্নয়ন থেকে তাদের নিজেদের উন্নয়ন বড়। আপনারা জানেন দুই একটি সৌর দেয়া ছাড়া রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, বিদ্যুত, স্কুলের উন্নয়ন করার ক্ষমতা তাদের নেই। তাই আমি এসবের তীব্র নিন্দা জানাই। এমএ মান্নানকে নিয়ে যারা কটাক্ষ করছে, গালি দিচ্ছে তাদেরকে হুশিয়ার করে দিচ্ছি। আর বরদাস্ত করা হবে না। পাগলাবাসী রুখে দাঁড়াবে।’
এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সদর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তেরাব আলী, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শওকতুল ইসলাম, আবদুল হান্নান, ক্ষিতিশ দেবনাথ, নূরুল হক, ইউনিয়নের প্রবীণ মুরব্বি আবদুস সামাদ, আবদুল খালিক, সিরাজ মিয়া, আইয়ূব উদ্দিন বুদ্ধি, জমিরুল হক জম্মু, নুরুল ইসলাম, ডা: জিল্লুল হক, ইস্কন্দর আলী, হাবিবুর রহমান, সিরাজ উদ্দিন, লুৎফুর রহমান, আরাফাত আলী, লুছাই মিয়া, হিরেশ পাল, কমরু মিয়া, রজব আলী, ঈমান আলী, ফজির আলী, মুজিবুর রহমান, আরশ আলী, হানিফ মিয়া, মুক্তার আলী, আখলুছ মিয়া, আবদুর রহমান, আবদুল কাইয়ূম, জসু মিয়া, আজাদুর রহমান আজাদ, তমেশ পাল, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজান, ভৈরব সূত্রধর, ছাদ্দক আলী, আরিফ আহমদ, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদরুল আলম টিপু, শ্রমীকলীগ নেতা বাছির আলী ও যুবলীগ নেতা দোলাল মিয়া প্রমূখ।