শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
পাঁচটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ জেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। তবে দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চলে আসার আভাস মিলছে। এ ক্ষেত্রে এই আসনগুলোতে ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে। এ পর্যন্ত যে আভাস পাওয়া গেছে, তাতে তিনটিতে দ্বিমুখি ও দুইটিতে ত্রিমুখি প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে মনে করেন সাধারণ ভোটার ও নির্বাচন বিশ্লেষকগণ। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে হাওরবেষ্টিত জেলা সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। শুরুতে এই জেলাটি বিএনপির একচেটিয়া প্রভাব বলয়ে থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে। ধানের শীষের প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী ও শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। স্থানীয় ভোটার ও বিশ্লেষকদের মতে, এবার নির্বাচন কেবল দলীয় লড়াই নয়; বরং ব্যক্তি ইমেজ ও আঞ্চলিকতার হিসেবেও রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি দলটিকে ভাবিয়ে তুলছে। অন্যদিকে, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মোট ৩৯ জন, প্রাথমিক বাছাইয়ে ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলে ২৬ জনের প্রার্থীতা বৈধ হয়। পরবর্তীতে আপিল করে সাতজন প্রার্থীতা ফিরে পান আর প্রত্যাহার করেন আটজন। সর্বশেষ প্রতীক বরাদ্দ পেলেন ২৩ জন প্রার্থী। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনে তিনজন, সুনামগঞ্জ-২ আসনে তিনজন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সাতজন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে পাঁচজন, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর ও তাহিরপুর):
চারটি উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-১ আয়তনের দিক থেকে জেলার সবচেয়ে বড় আসন। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিএনপি মনোনীত কামরুজ্জামান কামরুল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সুনামগঞ্জ জেলার আমির উপাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ খান (দাঁড়িপাল্লা) ও নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক তালুকদার (বই)। এখানে মূল লড়াই হবে দ্বিমুখী বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। এখানে বিএনপি থেকে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হকও পেয়েছিলেন দলীয় মনোনয়ন। অবশেষে তিনি তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ধানের শীষের পক্ষে তিনি ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে করেছেন সভা, সমাবেশ আর উঠান বৈঠক। তবে শেষমেষ তিনি দলের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করে প্রত্যাহার করে নেন তার প্রার্থীতা।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনের বাইরে থাকায় ভোটের লড়াই এখন বিএনপি বনাম জামায়াতে রূপ নিয়েছে। জামায়াত প্রার্থী এখানে বিএনপির দীর্ঘদিনের পুরোনো বিতর্কিত ইস্যুগুলো সামনে এনে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছেন। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাজী মুখলেছুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, মধ্যনগর, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার পাঁচ লাখ এক হাজার ৫৩০ জন, এরমধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৫৬ হাজার ১৭৯ জন, নারী দুই লাখ ৪৫ হাজার ৩৪১ জন ও হিজড়া ১০ জন।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা):
হাওড়-অধ্যুষিত প্রত্যন্ত দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ঐতিহ্যবাহী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বিএনপির মোঃ নাছির চৌধুরী (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির (দাঁড়িপাল্লা) ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির এডভোকেট নিরঞ্জন দাস খোকন (কাস্তে)। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। দীর্ঘদিন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকা শিশির মনির প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থীর শারীরিক সক্ষমতাকে ইস্যু করে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক কোন দিকে যায়, তার উপর নির্ভর করছে জয়-পরাজয়।
প্রবীণ বিএনপি নেতা ও আসনটির সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে জামায়াতের প্রার্থী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরের। দ্বিতীয় ধাপে প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর প্রচার-প্রচারণায় সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যের দায়িত্বে থাকা নাছির চৌধুরী। অপরাপর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সহযোগিতা নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন ভোটারদের কাছে। গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এ আসনে জমিয়ত মনোনীত প্রার্থী ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ছয় হাজার ৪৮ জন, এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫৪ হাজার ৬৫৫ জন, নারী এক লাখ ৫১ হাজার ৩৯২ জন ও হিজড়া একজন।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ):
প্রবাসীদের এলাকা হিসেবে পরিচিত সুনামঞ্জ-৩ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী। তবে আসনটিতে ‘শক্তিশালী’ প্রার্থী রয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের। সেই সঙ্গে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত একজন স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। আসনটিতে বিকল্প শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় ত্রিমুখী লড়াই হবে। জেলায় সবচেয়ে বেশি সাতজন প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত কয়ছর এম আহমদ (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত এডভোকেট মাওলানা শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিকসা), স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন (তালা), মোঃ মাহফুজুর রহমান খালেদ (তুষার) (টেবিল ঘড়ি), হুসাইন আহমদ (ফুটবল), খেলাফত মজলিস মনোনীত হাফেজ শেখ মুশতাক আহমদ (দেয়াল ঘড়ি) ও এবি পার্টির সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল)।
বিএনপির কয়ছর আহমেদের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন নিজ দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন। তিনি আঞ্চলিক কার্ড খেলে ভোট সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তবে প্রবাসীদের সমর্থনে বিএনপি এখানে বেশ সংগঠিত। এখানে খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির প্রার্থীরাও সক্রিয় রয়েছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও রিকসার মধ্যে। এ আসনে ১০ দলীয় জোটের সমীকরণের জন্য দলীয় সিদ্ধান্তে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এডভোকেট ইয়াসীন খান।
সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৭৩ হাজার ১৬ জন, এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৯ হাজার ২৪৩ জন, নারী এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৬৭ জন ও হিজড়া ছয়জন।
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর):
জেলা শহরের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন পাঁচজন। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী সদর উপজেলা পরিষদের চারবারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (মোটর সাইকেল), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সিনিয়র আইনজীবী ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির এডভোকেট মোঃ শামস উদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি মনোনীত মোঃ নাজমুল হুদা (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মাওলানা শহীদুল ইসলাম (হাতপাখা)। এ আসনে ধানের শীষ, মোটর সাইকেল ও দাঁড়িপাল্লা মিলে মূল লড়াই হবে ত্রিমুখি। সদর আসনে বিএনপির নূরুল ইসলামের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের বিদ্রোহী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও জামায়াতের সামছ উদ্দিন। বিএনপির তরুণ কর্মীরা নূরুল ইসলামের পক্ষে থাকলেও বিদ্রোহীদের কারণে ভোট ভাগ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত চারবারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। মরমি কবি হাছন রাজার প্রপৌত্র জাকেরীন পারিবারিক কারণে এখানকার ভোটের মাঠে ‘ফ্যাক্টর’। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগের অবস্থান ধরে রাখতে পারলে এই আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা বেশি। এ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আজিজুল হক মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৭২ হাজার ১৮৫ জন, এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৯ হাজার ৩৫৯ জন, নারী এক লাখ ৮২ হাজার ৮১৩ জন ও হিজড়া ১৩ জন।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার):
শিল্পনগরী ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন পাঁচজন। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম আল-মাদানী (দাঁড়িপাল্লা), খেলাফত মজলিস মনোনীত মোহাম্মদ আব্দুল কাদির (দেয়াল ঘড়ি), জাতীয় পার্টি মনোনীত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (লাঙ্গল) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) মনোনীত মোঃ আজিজুল হক (আম)। মূলত এ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে দ্বিমুখি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
এখানে তিনবারের সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের সঙ্গে জামায়াতের সিলেট মহানগরের মজলিসে শুরা সদস্য আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালামের লড়াই হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারা বাজার) আসনে মোট ভোটার পাঁচ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৬ জন, এরমধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৭০ হাজার ৬১৮ জন, নারী দুই লাখ ৫৬ হাজার ৮৩৬ জন ও হিজড়া দুইজন।
উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২০ লাখ ৮০ হাজার ২৩৫ জন, এরমধ্যে পুরুষ ১০ লাখ ৬০ হাজার ৫৪ জন, নারী ১০ লাখ ২০ হাজার ১৪৯ জন ও হিজড়া ভোটার ৩২ জন। সূত্র আরো জানায়, পাঁচটি আসনে এবার মোট প্রার্থী ২৩ জন। এবার মোট ভোট কেন্দ্র ৭২০টি, ভোট কক্ষ চার হাজার ২৫০টি, এরমধ্যে স্থায়ী তিন হাজার ৯৩৪টি ও অস্থায়ী ৩১৬টি। ১২টি উপজেলার মধ্যে ৮টিই হাওর এলাকা হওয়ায় ৩২৩টি ভোট কেন্দ্রকে ‘দুর্গম’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোট গ্রহণে ১৪ হাজারের বেশি কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে মোট ২৩ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে, প্রচার প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই আচরণ বিধি মেনে চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি নির্বাচনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সাধারণত দেখা যায়, যে প্রার্থী ভোটের ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন তার চেয়েও যে প্রার্থী পিছিয়ে থাকেন তাঁরা বেশি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেন। সাধারণত আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে সেটা অসমান করে ফেলে। সেজন্য সকল প্রার্থীকে আচরণ বিধির কথা মাথায় রেখে প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর বলে তিনি জানিয়েছেন।