শনিবার, ১৩ Jul ২০২৪, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজিজুল ইসলাম চৌধুরী/আব্দুল বাছির সরদার, শাল্লা (সুনামগঞ্জ) থেকে: হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোন গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাওরাঞ্চলের মানুষ এবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি জানি ফসল নষ্ট হলে মানুষ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ আছে, একজন মানুষও না খেয়ে থাকবে না। আমরা সব সময় পাশে আছি, থাকবো। তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে খোলা বাজারে চাল বিক্রির ডিলার নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য যে পরিমাণ খাবারের প্রয়োজন হবে, সেই পরিমাণ খাবার আমরা দিতে পারবো। দেশে প্রচুর খাদ্য মজুদ আছে, সরবরাহ করাও হচ্ছে। প্রয়োজনে ভিজিএফের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি করে দেয়া হবে। একটি মানুষও না খেয়ে থাকবে না। যতদিন হাওরাঞ্চলের মানুষের প্রয়োজন থাকবে, ততদিন আমরা এটি চালু রাখবো। রোববার সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার সাহিদ আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলামের পরিচালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম, আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার শাহানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও আহমদ হোসেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরুদ্দীন আহমদ কামরান, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল হুদা মুকুট, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বখত জগলুল প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার যোগে সুনামগঞ্জের শাল্লার সাহিদ আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে অবতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ সামগ্রি বিতরণের আগে উপস্থিত সুধিজন ও ত্রাণ নিতে আসা অভাবী মানুষের উদ্দ্যেশে ৩০ মিনিট বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম জেলার হাওরগুলোর ক্ষতিগ্রস্তের চিত্র তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর ৩০ মিনিটের বক্তব্যে আরো বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষ এক ফসলের উপর নির্ভরশীল থাকায় তাদের দুর্দশা বেশি হয়েছে। এজন্য এক ফসলের উপর নির্ভর না করে বহুমুখি ফসলের চিন্তা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে আমাদেরকে ফসল ফলানোর চিন্তা করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করেই আমাদেরকে বাঁচতে হবে। হাওরাঞ্চলে ফসলের হানি ঘটায় গো-খাদ্যের সংকট তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে, গো-খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলের মানুষকে আগামিতে সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে দেয়া হবে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়ে রেখেছি। যারা মৎস্য ও কৃষি খাতে ঋণ নিয়েছে, তাদের ঋণের সুদের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। অনেক ব্যাংকের ঋণ আদায়ও স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমি এনজিও ব্যুরোর মাধ্যমে এনজিও ঋণ আদায় করা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে পরামর্শ দিয়েছি। তিনি বলেন, আমি হাওরাঞ্চলের মানুষের কষ্ট বুঝি, গোপালগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ একই প্রকৃতির। হাওর-বাওর ও বিলাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাও কষ্টের। এ অঞ্চলের হাওর বাঁচিয়ে রাখতে হবে। খাল-বিল পলি মাটিতে যাতে ভরাট না হয়, সেই ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ পানির সাথে লড়াই করে বাঁচতে হয়। তাই পানির মধ্যে যে ধান হয়, সে জাতের ধান ফলানো যায় কি না, তা নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। লবণাক্ত এলাকায় লবণ সহিষ্ণু ফসল ফলানো ও খরা এলাকায় খরা সহিষ্ণু ধান ফলানোর গবেষণা চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাওরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্ট করে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে। তাই হাওরাঞ্চলে আবাসিক বিদ্যালয় নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হবে। চরাঞ্চলেও অনুরূপভাবে আবাসিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে সেটিরও উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করা হয়েছে, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্তও অবৈতনিক করা হবে। তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলের যে সকল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই, সে সকল এলাকায় সোলারের মাধ্যমে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে। গৃহহারা মানুষদের জন্য বিনামূল্যে গৃহ নির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এদেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। সেচ কাজের জন্য বিদ্যুতের ভর্তুকি অব্যাহত আছে। ফসল নষ্ট হওয়ার সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ি জিনিষের দাম বাড়িয়ে মানুষদেরকে কষ্ট দেয়। এই অসাধু ব্যবসায়িদের অপতৎরতা আমরা বরদাশত করবো না। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে দুঃখি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। আমার বাবার ইচ্ছা ছিল দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে। কিন্তু তাকে ১৯৭৫ সালে হত্যা করা হলো। আমার মা, ভাই-বোনসহ পরিবারের ১৮ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। আমি স্বজনহারা, নিঃস্ব। তৎকালীন সময়ে আমাকে দেশে আসতে দেয়া হয়নি। আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। আমি দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে। আমি সরকারে এসেই বলেছি আমরা আর ভিক্ষা করে আনবো না। দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করতে চাই। দেশে এখন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। হাওরাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য হাওর উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছি। মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো ও প্রক্রিয়াজাত করণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী: কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ৩১টি উপজেলা ও ৩৩৩টি ইউনিয়নের ফসল ডুবেছে। ডুবে ডুবে কৃষকরা যে ধান কেটেছে, তা দিয়ে কৃষকদের চলবে না। ত্রাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। অতীতে কৃষকদেরকে প্রণোদনা যেমন সার-বীজ বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। এবারও এর ব্যত্যয় হবেনা। আরো ব্যাপকভাবে কৃষকদেরকে প্রণোদনা দেয়া হবে। সেই প্রস্তুতি চলছে। পানি নামলে কৃষিঋণ, সার-বীজ ও কৃষি উপকরণ নিয়ে কৃষকদের সামনে হাজির হবো। তিনি বলেন, বেশি ফসল ফলনের আশায় ব্রি-২৯ ও ব্রি-২৮ লাগানো হয়। এটি দীর্ঘ মেয়াদি হওয়ায় ইতিমধ্যেই পাহাড়ি ঢল চলে আসায় অনেক সময় ধান ডুবে যায়। তিনি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বল্প মেয়াদি ধানের বীজ সরবরাহ করা হবে, সেটির কম ফলন হলে আপনারা কষ্ট করে চাষ করবেন। কৃষিঋণ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। পানি কমলেই কৃষি পুর্ণবাসন কর্মসূচি নিখুঁতভাবে শুরু হবে।
ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, খাদ্যের কোন অভাব নেই, আপনারা যা চাইবেন শেখ হাসিনা তাই দিবেন। কৃষক বান্ধব নেত্রী শেখ হাসিনা আজ সুনামগঞ্জের শাল্লায় এসেছেন। এর আগে রাষ্ট্রপতিও সুনামগঞ্জে এসেছেন। আমি সুনামগঞ্জের হাওরের মানুষের দুর্দশা দেখেছি। মানুষের সাহস দেখে আমি উজ্জীবিত হয়েছি। তারা সবাই হাওরের বাঁধে কাজ করেছে। হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত লোকদেরকে ৩০ কেজি চাল ও ৫শত টাকা করে দেয়া হচ্ছে। একটি মানুষও যেন না খেয়ে থাকে, আমরা সেই ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়েছি।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম: খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, হাওরবাসির দুঃখ-দুর্দশা দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ এলাকায় ছুটে এসেছেন। হাওরাঞ্চলের মানুষের ফসলহানির পর খাদ্য মন্ত্রণালয় ফসলহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, খাদ্য মজুদ আছে। ওএমএস চালু করেছি। প্রধানমন্ত্রী যতদিন চালানোর নির্দেশ দিবেন, ততদিন তা চলবে। দেশে কোন খাদ্য সংকট নেই, খাদ্য মজুদ পরিস্থিতি সন্তোষজনক আছে। তিনি বলেন, হাওরবাসির সাহায্যে আমরা পাশে আছি।
পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ: পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ২৯ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টিপাতে ১৫/১৬ ফুট পানি বেড়ে যায়। ফলে ব্যাপক ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়। হাওররক্ষা বাঁধের দুর্নীতির বিষয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে তিন স্তরে তদন্ত করা হচ্ছে। কোন অন্যায়-অনিয়ম পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। পানিসম্পদমন্ত্রী আরো বলেন, চারটি নদী খনন করা হবে। এরমধ্যে সুরমা, রক্তি, বাউলা ও যাদুকাটা। পিআইসি গঠন নিয়ে বিকল্প চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। পানিসম্পদমন্ত্রীও জোর দিয়ে বলেন, ফসলহারা মানুষ না খেয়ে থাকবে না।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান: অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, আামদের পূর্ব পুুরুষেরা হাজার বছর ধরে প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে সংগ্রাম করে চলেছেন। সুনামগঞ্জের ফসলহারা মানুষের এই অবস্থায় সরকার ইতিমধ্যেই কিছু কর্মসূচি নিয়েছে। হাওরের ফসল রক্ষায় সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীসহ নদীগুলো ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা: সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে ডিলার নিয়োগ দিলে খোলা বাজারের চাল সবাই কেনার সুযোগ পাবে। তা না হলে এই কর্মসূচি অনেকটা ব্যাহত হবে। তিনি বলেন, হাওররক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে ফসল ডুবেছে। পিআইসি ও ঠিকাদারের কাজগুলো ত্র“টিযুক্ত। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য করে ড. জয়া সেনগুপ্তা বলেন, আমার স্বামী এ এলাকার মানুষের জন্য কিছুই করতে পারেন নি, দিরাই-শাল্লার যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম। ৫০ কিলোমিটার রাস্তার কাজ ধীরগতিতে চলছে। আপনার সুদৃষ্টি পেলে কাজটি দ্রুত সম্পন্ন হবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা অব্যাহত থাকলে এ এলাকার মানুষ ঘুরে দাঁড়াবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত জনসাধারণের মধ্য থেকে ২০ জনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন এবং ১ হাজার দুস্থ মানুষের মধ্যে ৫শত টাকা ও ৩৮ কেজি করে চাল দেয়া হয়। ত্রাণ বিতরণের পর প্রধানমন্ত্রী স্পিটবোর্ডে হাওর পরিদর্শন করেন এবং বাহারা ইউনিয়নের গ্রামবাসির সাথে কথা বলেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের সাথেও মতবিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী শাল্লা থেকে বেলা পৌণে দুইটার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com