বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের আট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী

‘জঙ্গলের মধ্যে টিনশেড ঘরে আমাকে আটকে রাখে’

আমার সুরমা ডটকমদীর্ঘ ৭০ দিন নিখোঁজ থাকার পর ফিরে এসে সাংবাদিক উৎপল দাস বলেছেন তাকে জঙ্গলের মধ্যে একটি টিনশেড ঘরে আটকে রাখা হয়েছিলো। তাকে সেখানে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর বিবিসি বাংলা

এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক উৎপল দাস আরো বলেন, প্রথমদিকে মাঝে মাঝে বলে এত টাকা আছে তোর, তুই টাকা দে। টাকা দিলে তোকে ছেড়ে দেব। যেহেতু আমি টাকা দিতে পারি নাই শেষদিকে তারা এসে আমাকে বলে, তুই যেহেতু টাকা দিতে পারিস নাই মেরে ফেলব।’

দুই মাসের বেশি সময় কোথায় ছিলেন তিনি? উৎপল দাস বলেন, ‘আসলে কোথায় ছিলাম সেটা নিজেও জানি না। আমাকে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ‘ তিনি জানান, ধানমণ্ডিতে একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়ার পর সেখান থেকে বের হলে একটি গাড়িতে করে তাকে তুলে নিয়ে যায় একদল লোক।

কোথায় রাখা হয়েছিল কিছু ধারণা করতে পারেন কিনা জানতে চাইলে উৎপল দাস বলেন, ‘আমাকে নেওয়া হয়েছিল ধানমণ্ডি থেকে। কিন্তু কোথায় নেওয়া হয়েছিল কীভাবে নেওয়া হয়েছিল- আমি কিছু জানি না। আমাকে চোখে বেঁধে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়। ‘

ঢাকার একটি অনলাইন পোর্টালের এই সাংবাদিক নিখোঁজ হওয়ার দুই মাস পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা এলাকায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

উৎপল দাস বলেন, ‘আমাকে তারা বলে, তোর ফোনে চার্জ আছে তুই বাড়ি চলে যা। আমাকে বলল যে পেছন ফিরে তাকাবি না। আমি আর পেছনে ফিরে তাকাইনি। আর বলল যে, ৫০ গজ পেছনে একটা পেট্রল পাম্প আছে, আমি সেই পেট্রল পাম্পে চলে যাই এবং গিয়ে বাড়িতে ফোন করি।’ খবর পেয়ে পুলিশ তাকে স্থানীয় ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে নরসিংদী থেকে উৎপলের পরিবারের সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com