বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী দিরাইয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মানহানীর চেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা গমন উপলক্ষে দিরাইয়ে জিয়াউল ইসলামকে সংবর্ধনা সুনামগঞ্জে জলাবদ্ধতায় এবার ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে তিনশ কোটি টাকা সুনামগঞ্জে এবার ঈদুল আযহায় পৌণে চারশ কোটি টাকার পশু বিক্রির রেকর্ড মাওলানা শুয়াইর আহমদ দিরাই মাদরাসার মুহতামিম নির্বাচিত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চালু হলো আইসিইউ সেবা দিরাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ আসামি আটক সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্র জমিয়ত শাখার কাউন্সিল অধিবেশন সম্পন্ন

ধর্মপাশায় ৫ম শ্রেণি পাসের আগেই ৮ম শ্রেণি পাস

aamarsurma.com

মোফাজ্জল হোসেন হিরা, ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সুখাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ্য প্রহরী বিপ্লব দাসের বিরুদ্ধে ভূয়া সনদপত্র দিয়ে সাড়ে চার বছর ধরে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সনদপত্র অনুযায়ী তিনি ৫ম শ্রেণি পাসের আগেই ৮ম শ্রেণি পাস করেছেন। বিপ্লব দাস ওই ইউনিয়নের সুখাইড় গ্রামের অনাদি রঞ্জন দাসের ছেলে। সোমবার বিকেল ৩টায় একই গ্রামের মো. আইন উদ্দিনের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (পল্টু) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা যায়, বিপ্লব দাস ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সুখাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশ্য প্রহরী হিসেবে যোগদান করেন। ওই বছরের ১৪ জানুয়ারি উপজেলা শিক্ষা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি নিয়োগ কমিটির কাছে অষ্টম শ্রেণি পাসের একটি সনদপত্র দেখান। সনদপত্রটি তিনি ২০১২ সালের ৭ জানুয়ারি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার আমাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করেছেন। এই সনদপত্র অনুযায়ী তিনি ২০০৭ সালে অস্টম শ্রেণি পাস করেন। কিন্তু সুখাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পরের বছর অর্থ্যাৎ ২০০৮ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সুখাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগকারি মো. আমিনুল ইসলাম (পল্টু) বলেন, ‘আমিসহ ওই নিয়োগ পরীক্ষায় ৮ জন অংশগ্রহণ করেছিলাম। আমরা কেউ উত্তীর্ণ হয়নি। কিন্তু ভূয়া সনদপত্র দিয়ে বিপ্লব দাসের চাকরি কি ভাবে হয়েছে বুঝতে পারিছ না। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক।’
এ ব্যাপারে বিপ্লব দাসের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজয় কুমার তালুকদার বলেন, ‘বিপ্লব ২০০৮ সালে এ বিদ্যালয় থেকেই পঞ্চম শ্রেণি পাস করেছে। নিয়োগ পরীক্ষার সময় শুধুমাত্র অষ্টম শ্রেণি পাসের সনদপত্র দেখা হয়েছিল বলে বিষয়টি কারও নজরে পড়েনি।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন বলেন, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com