মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
আযাদ দ্বীনী এদাার বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: পাসের হার ৮৭.৯৫ প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দিরাইয়ে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন দিরাই-শাল্লার অভিভাবকত্বে প্রধানমন্ত্রী: প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপে দিরাইয়ের ৬৯৭ পরিবারে আগামিকাল বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ট্রাম্পকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কাতারের আমিরের লন্ডন প্রবাসীর অর্থায়নে দিরাইয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান দিরাইয়ে ডোবায় পানি সেচ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ মুকুলের ভারে নুয়ে পড়ছে আমগাছ ইমাম-খতিবদের সম্মানি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সতর্ক থাকার আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির ইন্তেকাল: ইরানে ৪০ দিনের শোক পালন শুরু

ঐতিহাসিক ভাটিপাড়া জামে মসজিদে বজ্রপাতের ‘ক্ষত’

amarsurma.com

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের ঐতিহাসিক নিদর্শন ভাটিপাড়ার জমিদারবাড়ি জামে মসজিদে শুক্রবার ভোর ৩টায় বজ্রপাতের আঘাতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এতে মসজিদের গম্বুজের পলেস্তার খসে পড়েছে।
জানা যায়, ৩১মে শুক্রবার ভোর রাতে দিরাইয়ে ব্যাপক বজ্রপাত হয়। এতে জানমালের কোন ক্ষতি না হলেও ঐতিহাসিক স্থাপনা ভাটিপাড়া জমিদারবাড়ি জামে মসজিদের গম্বুজে বজ্রপাতের আঘাতে সেখানে বেশ কিছু পলেস্তার খসে পড়ে। এছাড়া মসজিদের ভেতরের কারুকাজ, আইপিএস, জেনারেটার ও মাইকসহ আরও অন্যান্য জিনিষের ক্ষতি হয়। ফলে মসজিদের সৌন্দর্যে বিরূপ প্রভাব পড়ে।
গ্রামের ডা: কাজী আবুতালেব জানান, বজ্রপাতের কারণে মসজিদের বড় ধরণের ক্ষতি হয়ে গেলো। কারণ, এই মসজিদটি আামদের গ্রামে হলেও এটি মূলত ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এটি এখন সংস্কার করতে হবে বলেও তিনি জানান।
ভাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান কাজী বলেন, ভাটিপাড়া জমিদারবাড়ি মসজিদটি ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে জমিদারবাড়ির লোকেরাই তা দেখাশুনা করে থাকেন। বজ্রপাতে মসজিদটি ক্ষতগ্রস্তের ব্যাপারে তিনি বলেন, মসজিদ কমিটির সাথে আলাপ করে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৭ শতকের শেষের দিকে ভাটিপাড়া জমিদারদের উদ্যোগে দিল্লি জামে মসজিদের আদলে এটি নির্মাণ করা হয়। চুনসুরকির দ্বারা তৈরি এ মসজিদের ৩টি বিশাল গম্বুজ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে বড় চারটি মিনার, সর্বমোট ১৬টি মিনার আছে। দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির সামনে রয়েছে বিশাল পুকুর, পিয়াইন নদীর তীরবর্তী এই ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। এতিহাসিক ও দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটিকে প্রতœতত্ত্বের নিদর্শন হিসেবে ঘোষণা করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com